| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

আমিরাতের তিন বন্দর খালি করতে ইরানের নির্দেশ

reporter
  • আপডেট টাইম: মার্চ ১৪, ২০২৬ ইং | ২০:৩৬:৪৪:অপরাহ্ন  |  ৩৩৩৮৫২ বার পঠিত
আমিরাতের তিন বন্দর খালি করতে ইরানের নির্দেশ
ছবির ক্যাপশন: সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইরান–ইসরায়েল–যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত নতুন মাত্রা পাওয়ার মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাতের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বন্দর এলাকা দ্রুত খালি করার নির্দেশ দিয়েছে ইরান। শনিবার (১৪ মার্চ) ইরান-সমর্থিত সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সির মাধ্যমে দেওয়া এক জরুরি বার্তায় দুবাইয়ের জেবেল আলী বন্দর, আবুধাবির খলিফা বন্দর এবং ফুজাইরাহ বন্দর এলাকা থেকে বাসিন্দাদের দ্রুত সরে যেতে বলা হয়েছে।

ইরানের দাবি, এসব বেসামরিক বন্দরে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি রয়েছে, ফলে এগুলো এখন তাদের কাছে বৈধ সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।

ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তারা আগের তুলনায় আরও শক্তিশালী ও বিধ্বংসী ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে নতুন দফায় হামলা শুরু করেছে। একই সঙ্গে ইসরায়েল ও উপসাগরীয় দেশগুলোর দিকে ব্যাপক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা অব্যাহত রেখেছে তেহরান।

এর পাশাপাশি কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী কার্যত বন্ধ করে দিয়েছে ইরান। বিশ্বের মোট জ্বালানি তেলের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই সমুদ্রপথ দিয়ে পরিবাহিত হয় বলে জানা গেছে।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, শনিবার ভোর থেকে তারা ইরানের ছোড়া ৯টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ৩৩টি ড্রোন ভূপাতিত করেছে। ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে দেশটি মোট ২৯৪টি ক্ষেপণাস্ত্র এবং ১,৬০০টি ড্রোন ধ্বংস করেছে বলে দাবি করা হয়েছে।

এই সংঘাতে আমিরাতে এখন পর্যন্ত ৬ জন নিহত এবং ১৪১ জন আহত হয়েছেন। একই সময়ে ইরাকের কুর্দিস্তানে আমিরাতের কনস্যুলেটে ড্রোন হামলার ঘটনাতেও তীব্র নিন্দা জানিয়েছে আবুধাবি।

অন্যদিকে মার্কিন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় কমান্ডজানিয়েছে, তারা ইরানের খড়গ দ্বীপ ‘নিখুঁত হামলা’ চালিয়ে নৌ-মাইন ও ক্ষেপণাস্ত্র মজুত রাখার গুদামসহ প্রায় ৯০টি সামরিক লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করেছে। তবে যুক্তরাষ্ট্র দাবি করেছে, ইরানের তেল অবকাঠামোর কোনো ক্ষতি করা হয়নি।যদিও তেহরান বলছে, খার্গ দ্বীপ থেকে তেল রপ্তানি কার্যক্রম এখনো স্বাভাবিক রয়েছে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া সংঘাতে নিহতের সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী ইরানে ১,৪৪৪ জন, লেবাননে ৭৭৩ জন, ইরাকে ২৬ জন, ইসরায়েলে ১৪ জন, মার্কিন বাহিনীর ১১ সদস্য এবং আমিরাত, কুয়েত ও ওমানসহ অন্যান্য দেশে আরও অন্তত ১৯ জন নিহত হয়েছেন।

এদিকে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধ এখন “চূড়ান্ত বা নির্ণায়ক পর্যায়ে” প্রবেশ করেছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বে এই অভিযান লক্ষ্য অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে।

রিপোর্টার্স২৪/এসসি

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪