| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

সাউথ পার্সে হামলার জেরে উপসাগরীয় জ্বালানি স্থাপনায় হামলার হুমকি ইরানের

reporter
  • আপডেট টাইম: মার্চ ১৮, ২০২৬ ইং | ২১:২০:১৬:অপরাহ্ন  |  ২৯১৫৬৫ বার পঠিত
সাউথ পার্সে হামলার জেরে উপসাগরীয় জ্বালানি স্থাপনায় হামলার হুমকি ইরানের
ছবির ক্যাপশন: সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইরানের সাউথ পার্স গ্যাসক্ষেত্রে ইসরায়েলি হামলার জেরে উপসাগরীয় অঞ্চলের জ্বালানি স্থাপনাগুলোতে হামলার হুমকি দিয়েছে তেহরান। এতে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধ আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিমে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে জানানো হয়, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কাতারের অন্তত পাঁচটি জ্বালানি স্থাপনা “শিগগিরই লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হতে পারে”।

হুমকির তালিকায় রয়েছে সৌদি আরবের স্যামরেফ রিফাইনারি ও জুবাইল পেট্রোকেমিক্যাল কমপ্লেক্স, সংযুক্ত আরব আমিরাতের আল হোসন গ্যাসক্ষেত্র এবং কাতারের রাস লাফান রিফাইনারি ও মেসাইয়েদ পেট্রোকেমিক্যাল কমপ্লেক্স।

এর আগে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানায়, দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের বুশেহর প্রদেশ উপকূলের কাছে অবস্থিত বিশ্বের বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র সাউথ পার্সে হামলা চালানো হয়েছে। এতে কয়েকটি স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হলেও তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। পরবর্তীতে গ্যাসক্ষেত্রে সৃষ্ট আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে বলে জানানো হয়।

ইসরায়েলি গণমাধ্যমের বরাতে বলা হয়েছে, এ হামলা দেশটির বিমান বাহিনী পরিচালনা করেছে। যদিও এ বিষয়ে ইসরায়েল আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়ে আসছে, যার মধ্যে তেল ও গ্যাস স্থাপনাও রয়েছে। এর জবাবে ইরানও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা অব্যাহত রেখেছে।

এদিকে, গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালিতে ইরানের নিয়ন্ত্রণমূলক অবস্থানের কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস এ পথ দিয়ে পরিবাহিত হয়।

কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল-আনসারি সাউথ পার্সে হামলার নিন্দা জানিয়ে একে “বিপজ্জনক ও দায়িত্বজ্ঞানহীন পদক্ষেপ” হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, এই গ্যাসক্ষেত্রটি কাতারের নর্থ ফিল্ডের সম্প্রসারিত অংশ।

তিনি সতর্ক করে বলেন, জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলা বৈশ্বিক জ্বালানি নিরাপত্তা, আঞ্চলিক জনগণ এবং পরিবেশের জন্য বড় ধরনের হুমকি সৃষ্টি করে। সব পক্ষকে সংযম প্রদর্শন ও আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলার আহ্বান জানান তিনি।

বিশ্লেষকদের মতে, চলমান সংঘাতের কারণে উপসাগরীয় দেশগুলো কূটনৈতিকভাবে উত্তেজনা কমানোর পথ খুঁজছে। তবে উভয় পক্ষের হামলা অব্যাহত থাকলে শান্তিপূর্ণ সমাধানের সম্ভাবনা ক্রমেই ক্ষীণ হয়ে পড়বে।

এদিকে, সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে আরব ও মুসলিম দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে, যেখানে চলমান সংকট নিয়ে আলোচনা হবে।

রিপোর্টার্স২৪/এসসি

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪