আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যের চার শক্তিধর দেশের জ্বালানি অবকাঠামোকে লক্ষ্য করে একের পর এক হামলার ঘটনা ঘটেছে, যা আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে নতুন উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে। হামলার পেছনে ইরানের সম্ভাব্য জড়িত থাকার আশঙ্কা প্রকাশ করেছে সংশ্লিষ্ট দেশগুলো।
সৌদি আরব: ইয়ানবুর ‘সামরেফ’ তেল শোধনাগারে একটি ড্রোন বিধ্বস্ত হয়েছে। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনও মূল্যায়ন করা হচ্ছে।
কুয়েত: মিনা আল-আহমাদি শোধনাগারে ড্রোন হামলার ফলে সীমিত আগুন লাগলেও তা দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে। এতে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
সংযুক্ত আরব আমিরাত: খোর ফাক্কান উপকূলের কাছে হরমুজ প্রণালির প্রবেশমুখে একটি জাহাজে অজ্ঞাত বস্তু আঘাতে আগুন ধরে যায়। চলমান সংঘাতের পর থেকে ২০টির বেশি জাহাজে হামলার খবর পাওয়া গেছে।
কাতার: রাস লাফান ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার কারণে বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ড এবং বিস্তৃত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। কাতার এনার্জি ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় হামলার সত্যতা নিশ্চিত করেছে।
বিশ্লেষকরা সতর্ক করেছেন, এই হামলা বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও জটিল করতে পারে।
রিপোর্টার্স২৪/এসসি