রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক: দেশে পেট্রোল পাম্প বন্ধ হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। তবে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় গ্রাহকরা প্রাপ্তি অনুযায়ী তেল পাচ্ছেন।
সোমবার (২৩ মার্চ) বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলারস, ডিস্ট্রিবিউটর্স, এজেন্টস অ্যান্ড পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক সাজ্জাদুল কবির এই তথ্য জানান। তিনি বলেন, ঈদের ছুটিতে ব্যাংক বন্ধ থাকায় পে-অর্ডার করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে ডিপো থেকে নতুন তেল তুলতে পারছেন না পাম্পের মালিকরা, যার কারণে সরবরাহে ভোগান্তি তৈরি হচ্ছে।
এর আগে রোববার (২২ মার্চ) রাতে বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, সারা দেশের পেট্রোল পাম্পগুলোর পরিস্থিতি করুণ। কোম্পানি থেকে দৈনিক প্রাপ্ত তেল দিয়ে ক্রেতাদের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে না। এর ফলে লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে মোটরসাইকেল ব্যবহারকারীদের। পাশাপাশি, দীর্ঘ সময় ধারাবাহিক দায়িত্ব পালনের অভাবে পাম্পে কর্মরতরা শারীরিক ও মানসিকভাবে চাপে পড়ছেন।
সংগঠনটির তথ্য অনুযায়ী, ঈদের আগের দিন একটি জেলা শহরের পাম্পে ছিল ১০ হাজার ৫০০ লিটার পেট্রোল ও সমান পরিমাণ অকটেন। অন্য একটি পাম্পে প্রায় ৮ হাজার লিটার তেল মজুদ ছিল। স্বাভাবিকভাবে এই মজুত কয়েক দিন পর্যাপ্ত হওয়ার কথা থাকলেও হঠাৎ অতিরিক্ত চাপ এবং বিশৃঙ্খলার কারণে তা অল্প সময়েই শেষ হয়ে যায়।
তদুপরি, গভীর রাতে কিছু মানুষ সংঘবদ্ধভাবে পাম্পে এসে মব তৈরি করে জোরপূর্বক তেল নেওয়ার ঘটনা ঘটিয়েছে। বিশেষ করে ঠাকুরগাঁওয়ের একটি পাম্পে জ্বালানি সরবরাহ চলাকালীন লাঠিসোঁটা নিয়ে সব শেষ করা হয়েছে। এই ধরনের ঘটনা দেশের অন্যান্য পাম্পেও ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে। মালিকরা জানাচ্ছেন, এখানে ন্যূনতম নিরাপত্তারও অভাব।
রিপোর্টার্স২৪/ঝুম