রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক: ঈদের পর কিছুটা স্বস্তি পেলেও দেশের বাজারে মাছ ও মুরগির দাম ঊর্ধ্বমুখী থাকায় সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে। শুক্রবার (২৭ মার্চ) রাজধানীর বাজার পরিদর্শনে দেখা গেছে, নদীর মাছের সঙ্গে সঙ্গে সোনালি ও দেশি মুরগির দাম কেজিতে ৫০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। ব্যবসায়ীরা সরবরাহ সংকট ও পরিবহণ খরচ বাড়ার অজুহাত দিচ্ছেন।
সবজি ও ডিমের বাজারে তুলনামূলক স্বস্তি রয়েছে। রমজানজুড়ে শিম, পটল, বরবটি ৬০–৭০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। কাঁচামরিচের দামও নিয়ন্ত্রণে থাকলেও করলা, গোল বেগুন ও কচুর লতি এখনো তুলনামূলকভাবে দামী। মাঝারি লেবুর দাম কমলেও বড় লেবু আগের দরে বিক্রি হচ্ছে।
ঈদের পর মাছের বাজার চড়া। মিঠা পানির বড় মাছ কেজিতে ৫০–১০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। মুরগির বাজারেও স্বস্তি নেই। ব্রয়লার ১৮০ টাকা, সোনালি মুরগি রমজানে ৩৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা কেজিতে ১০০ টাকা বেড়েছে। দেশি মুরগির মাংস ৭৫০ টাকার নিচে মিলছে না।
ডিমের বাজার মধ্যবিত্তের জন্য শেষ ভরসা। লাল ডিমের ডজন ১০৫–১১০ টাকা, হাসের ডিম ১৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এই লাগামহীন পরিস্থিতিতে সীমিত আয়ের মানুষ তাদের দৈনন্দিন খাদ্য বাজেট মেলাতে হিমশিম খাচ্ছেন। সাধারণ ক্রেতাদের অভিযোগ, তদারকির অভাবে ব্যবসায়ীরা ইচ্ছামতো দাম নির্ধারণের সুযোগ পাচ্ছেন।
রিপোর্টার্স২৪/ঝুম