রিপোর্টার্স২৪ডেস্ক: সরকার ২০৩২ সালের মধ্যে দ্বিতীয় পদ্মা সেতু, ২০৩৩ সালে দ্বিতীয় যমুনা সেতু এবং ভবিষ্যতের যানবাহন চাহিদা মেটাতে ঢাকা-চট্টগ্রাম এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের পরিকল্পনা করছে। সেতু বিভাগ ইতোমধ্যে সম্ভাব্য স্থান ও রুট যাচাই শুরু করেছে।
দ্বিতীয় পদ্মা সেতু পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া এলাকায় নির্মাণ হবে, যা রাজধানীকে দেশের পশ্চিম ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সঙ্গে সরাসরি সংযুক্ত করবে। প্রস্তাবিত সেতুর দৈর্ঘ্য প্রায় ৪.৯ কিলোমিটার হবে এবং এটি জাতীয় মহাসড়ক এন৫ ও এন৭-এর সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করবে।
দ্বিতীয় যমুনা সেতু বগুড়া-জামালপুর করিডোরে, গাইবান্ধার বালাসী ঘাট থেকে জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ ঘাট অথবা অন্য কোনো উপযুক্ত রুটে নির্মাণের সম্ভাবনা যাচাই করা হচ্ছে। বর্তমান যমুনা সেতু সংকীর্ণ হওয়ায় যানজট বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা নতুন সেতু নির্মাণের প্রয়োজনীয়তা নির্দেশ করছে।
ঢাকা-চট্টগ্রাম এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের মাধ্যমে দ্রুত গতিতে যানবাহন চলাচল নিশ্চিত হবে, যাত্রার সময় কমবে এবং পণ্য পরিবহন ও বাণিজ্যে গতিশীলতা বৃদ্ধি পাবে। এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের জন্য সড়ক ও মহাসড়ক বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় করা হবে।
সেতু বিভাগের সচিব মোহাম্মদ আবদুর রউফ জানিয়েছেন, এই প্রকল্পগুলি দেশের অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো হিসেবে কাজ করবে। চলমান ও পরিকল্পিত প্রকল্পের মোট ব্যয় অনুমান ১২ লাখ ৯৬ হাজার ৫৭৩ কোটি টাকা। এর মধ্যে চলমান প্রকল্পের ব্যয় ৩৬ হাজার ৬৪৮ কোটি টাকা এবং ভবিষ্যতের জন্য ১২ লাখ ৫৯ হাজার ৯২৫ কোটি টাকা প্রয়োজন হবে। দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের প্রতিবেদন
রিপোর্টার্স২৪/এসসি