আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জাতির উদ্দেশে্য ভাষণ শেষ করার পরই ইরান ইসরায়েলের দিকে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। এ ঘটনায় ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী সতর্ক অবস্থায় রয়েছে এবং তাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করা হয়েছে। আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে বৃহস্পতিবার এই তথ্য জানানো হয়েছে।
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তারা ইরান থেকে ছোড়া একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করেছে এবং হুমকি মোকাবিলার জন্য রাডার ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার করেছে। সামরিক বাহিনীর সংক্ষিপ্ত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, হুমকি প্রতিহত করতে আমাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সচল রয়েছে।
এর আগে ট্রাম্প দাবি করেন, চলমান সংঘর্ষে ইরানের নৌ ও বিমান শক্তি বড় ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে এবং দেশটির অনেক শীর্ষ কমান্ডার নিহত হয়েছেন। তিনি বলেন, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশগুলোর ভূয়সী প্রশংসা করেন ট্রাম্প। তিনি ইসরায়েল এবং উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর অবদানের কথা উল্লেখ করে বলেন, তারা অসাধারণ কাজ করেছে। যুক্তরাষ্ট্র তাদের ব্যর্থ হতে দেবে না।
ট্রাম্প বলেন, ইরান বিভিন্ন দেশের ওপর হামলা চালিয়েছে, যা প্রমাণ করে তাদের কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের সুযোগ দেওয়া উচিত নয়। তিনি ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে দ্রুত আটক করতে পারায় মার্কিন সেনাদের ধন্যবাদ জানান এবং দাবি করেন, এতে বিশ্বজুড়ে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া এসেছে। ট্রাম্প আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ভেনেজুয়েলার সম্পর্ক এখন উন্নতির দিকে।
ভাষণে ট্রাম্প উল্লেখ করেন, তার প্রথম মেয়াদে ইরানের শীর্ষ সামরিক কমান্ডার কাসেম সোলাইমানিকে হত্যার অভিযানে তিনি নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। সোলাইমানিকে তিনি ‘বোমা হামলার মূল পরিকল্পনাকারী’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন।
ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্র ও বৈশ্বিক নিরাপত্তার জন্য ইরানের বিরুদ্ধে পদক্ষেপকে প্রয়োজনীয় বলে দাবি করে বলেন, এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সফল বিনিয়োগ। এখন আমাদের নাগরিকরা ইরানের হামলার হুমকি বা পারমাণবিক আতঙ্কে নেই।
রিপোর্টার্স২৪/বাবি