| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

পুলিশ সপ্তাহ শুরু ১০ মে

পদক পাচ্ছেন ১০৭ পুলিশ, প্রধানমন্ত্রীর কাছে উপস্থাপন হবে ৬ দাবি

reporter
  • আপডেট টাইম: মে ০৪, ২০২৬ ইং | ২৩:৩৬:৪৯:অপরাহ্ন  |  ২৮৮ বার পঠিত
পদক পাচ্ছেন ১০৭ পুলিশ, প্রধানমন্ত্রীর কাছে উপস্থাপন হবে ৬ দাবি

স্টাফ রিপোর্টার: পুলিশ বাহিনীর সবচেয়ে বড় বার্ষিক অনুষ্ঠান পুলিশ সপ্তাহ শুরু হচ্ছে আগামী ১০ মে। এতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে ৬টি দাবি উপস্থাপন করা হবে।

এছাড়া এবার সাহসিকতা ও সেবামূলক কাজের স্বীকৃতি হিসেবে ১০৭ জন পুলিশ সদস্যকে এ অনুষ্ঠানে পদক দেওয়া হবে।

সোমবার (৪ মে) পুলিশ সদর দপ্তর সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়।

পুলিশ সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রীর কাছে যেসব দাবি উপস্থাপন করা হবে—

১. বাংলাদেশ পুলিশের একটি সাইবার ক্রাইম ইউনিট প্রতিষ্ঠা

লক্ষ্য: দেশের সর্বত্র সাইবার নিরাপত্তা জোরদার করা এবং সাইবার অপরাধ প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন।

২. বাংলাদেশ পুলিশের মেডিকেল সার্ভিস প্রতিষ্ঠা

লক্ষ্য: কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালসহ বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের বিদ্যমান পুলিশ হাসপাতালগুলোকে শক্তিশালী করতে একটি পুলিশ মেডিকেল সার্ভিস প্রতিষ্ঠা করে বিশেষজ্ঞ ডাক্তার প্রাপ্যতা বৃদ্ধি এবং পুলিশ সদস্যদের জন্য স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নত করা প্রয়োজন।

৩. বাংলাদেশ পুলিশের প্রশিক্ষণ সক্ষমতা বৃদ্ধি

লক্ষ্য: পুলিশ সদস্যদের আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করতে সিলেট ও বরিশাল বিভাগে দুটি পুলিশ ট্রেনিং সেন্টার (পিটিসি) এবং চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুরে একটি বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান স্থাপন করা প্রয়োজন।

৪. বাংলাদেশ পুলিশের শারীরিক সক্ষমতা উন্নয়ন

লক্ষ্য: পুলিশ সদস্যদের সুস্থ দেহ, শারীরিক সক্ষমতা, মানসিক স্বাস্থ্য ও মনোবল বৃদ্ধির পাশাপাশি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনে তাদের অংশগ্রহণের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা এবং ক্রীড়া সক্ষমতার আরও মানোন্নয়ন নিশ্চিত করা জরুরি।

৫. দূতাবাস ও সংশ্লিষ্ট সংস্থায় পুলিশ অফিসারদের পদায়ন

লক্ষ্য: প্রবাসী শ্রমিকদের জীবন, সম্পদ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং মানবপাচার, নির্যাতনসহ বিভিন্ন অপরাধ প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন। পাশাপাশি দেশের অভ্যন্তরে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর ব্যবস্থাপনা উন্নতকরণ ও সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি।

৬. এভিয়েশন পুলিশ প্রতিষ্ঠা

লক্ষ্য: উগ্রবাদ, মাদক ও অস্ত্র পাচার, মানবপাচারসহ সংবেদনশীল অপরাধ দমনে দ্রুত তৎপরতার জন্য বিশেষায়িত প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত একটি এভিয়েশন পুলিশ ইউনিট গঠন করা প্রয়োজন।

উল্লেখ্য, এ লক্ষ্যে পুলিশের জন্য দুটি হেলিকপ্টার ক্রয় করা হয়েছে। ইতোমধ্যে ৬ জন পুলিশ অফিসারকে পাইলট ও ৪০ জন বিভিন্ন স্তরের পুলিশ সদস্যকে হেলিকপ্টার রক্ষণাবেক্ষণ সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।

আগামী ১০ মে শুরু হবে পুলিশ সপ্তাহ। চার দিনব্যাপী এ অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী দিনে রাজধানীর রাজারবাগে পুলিশ লাইনস মাঠে বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম), রাষ্ট্রপতির পুলিশ পদক (পিপিএম) দেওয়া হবে।

এবার পদকের জন্য মনোনীত করা হয়েছে ১০৭ জন সদস্যকে। পুলিশ ছাড়াও র‍্যাবে দায়িত্ব পালন করা একাধিক সেনা ও বিমান বাহিনীর কর্মকর্তা পদক পাচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মনোনীতদের পদক পরিয়ে দেওয়ার কথা রয়েছে।

এদিকে, পদকের মনোনীত কর্মকর্তাদের রাজারবাগ পুলিশ লাইনস প্যারেড গ্রাউন্ডে উপস্থিত থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে পুলিশ সদর দপ্তরের ডিআইজি (কনফিডেনশিয়াল) মো. কামরুল আহসান স্বাক্ষরিত একটি চিঠি ইস্যু করা হয়েছে।

পুলিশ সপ্তাহে পদক পাচ্ছেন যারা–

পিবিআইয়ের অ্যাডিশনাল আইজিপি মো. মোস্তফা কামাল, ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ার, পুলিশ টেলিকমের অ্যাডিশনাল আইজিপি মো. রেজাউল করিম, ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি রেজাউল করিম মল্লিক, সিটিএসবির ডিআইজি মীর আশরাফ আলী, ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিবি) মো. শফিকুল ইসলাম, সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের ডিআইজি (সদর দপ্তর) তাপতুন নাসরীন, ডিআইজি (ইকুইপমেন্ট অ্যান্ড ট্রান্সপোর্ট) মো. আশিক সাঈদ, হাইওয়ে পুলিশের ডিআইজি মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ, স্পেশাল ব্রাঞ্চের ডিআইজি মোহাম্মদ ফয়েজুল কবির ও মু. মাহবুবুর রশীদ, সিআইডির ডিআইজি মোহাম্মদ শামসুল হক, ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ ওসমান গণি এবং র‍্যাব সদর দপ্তরের এডিজি (অপস) কর্নেল ইফতেখার আহমেদ।

ডিএমপির যুগ্ম-পুলিশ কমিশনার মো. ফারুক হোসেন, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের অ্যাডিশনাল ডিআইজি শাহাজাদা মো. আসাদুজ্জামান, র‍্যাব-১২-এর অ্যাডিশনাল ডিআইজি আতিকুর রহমান মিয়া, র‍্যাব-২-এর অতিরিক্ত ডিআইজি খালিদুল হক হাওলাদার, র‍্যাব সদর দপ্তরের লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহা. জয়নুল আবেদীন এবং উইং কমান্ডার এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী।

তালিকায় থাকা পুলিশ সুপাররা (এসপি) হলেন– মো. হাবিবুর রহমান (মাদারীপুর), মুহম্মদ শামসুল আলম সরকার (টাঙ্গাইল), আব্দুল্লাহ আল-মাহমুদ (ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ-৩ চট্টগ্রাম), মো. শরিফ উদ্দীন (গাজীপুর), মো. আবদুল্লাহ-আল-ফারুক (নরসিংদী), মো. রকিবুল আক্তার (পিবিআই ময়মনসিংহ), মো. হাবীবুল্লাহ (গোপালগঞ্জ), রওনক জাহান (শরীয়তপুর), শচীন চাকমা (পিবিআই ব্রাহ্মণবাড়িয়া) এবং এ এন এম সাজেদুর রহমান (কক্সবাজার)।

অন্যরা হলেন– হাসান মোহাম্মদ নাছের রিকাবদার (ডিসি সাইবার উত্তর), মো. মোস্তাক সরকার (ডিসি মিরপুর), মিয়া মোহাম্মদ আশিস বিন হাছান (ডিসি প্রসিকিউশন), মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ (ডিসি মতিঝিল), মো. ইবনে মিজান (ডিসি তেজগাঁও), মির্জা তারেক আহমেদ বেগ (ভারপ্রাপ্ত ডিসি ডিবি উত্তরা), মেজর আসিফ আল-রাজেক (র‍্যাব-৯), মো. আনোয়ার হোসেন (অতিরিক্ত এসপি দিনাজপুর), আবদুল করিম (সদর দপ্তর), মোহাম্মদ ইব্রাহীম (বরগুনা), মুকিত সরকার (কিশোরগঞ্জ), আবুল বাশার (যশোর), মোহাম্মদ আমিনুল হক বাব্বী (এডিসি ডিবি সাইবার উত্তর), মো. আসাদুজ্জামান (পিএম-১), মো. আতিকুজ্জামান (এলআইসি), মো. জাহাঙ্গীর আলম (কেরানীগঞ্জ সার্কেল), জিসানুল হক (এডিসি ধানমন্ডি), অনিতা রানী সূত্রধর (১৩ এপিবিএন) এবং কাজী মো. তারেক আজিজ (হাটহাজারী সার্কেল)।

চৌধুরী মো. তানভীর (এসি জিপিএমপি), সাদ্দাম হোসাইন (এসি উত্তরা), মো. মাহফুজুর রহমান (এএসপি র‍্যাব), মো. আসলাম সাগর (এসি মোহাম্মদপুর ট্রাফিক), জাবীর হসনাইন সানীব (এএসপি মতলব), মাহমুদ আলম (পরিদর্শক ট্রাফিক), মোস্তাক আহম্মদ চৌধুরী (পরিদর্শক হাটহাজারী), মোহাম্মদ শামসুল হাবিব (ওসি জালালাবাদ), মো. জেহাদ হোসেন (পরিদর্শক ডিবি গুলশান), মোহাম্মদ সাহিদুর রহমান (এটিইউ), মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম (সদর দপ্তর), মেজবাহ উদ্দিন (ওসি মোহাম্মদপুর), কামরুল হাসান তালুকদার (এসবি), মো. সাইদুল ইসলাম (পিবিআই), মো. জাহেদুল কবির (ওসি বায়েজিদ বোস্তামী), মোহাম্মদ মেজবাহ উদ্দিন (পরিদর্শক মতিঝিল ট্রাফিক), গোলাম ফারুক (ওসি কামরাঙ্গীরচর), মনিরুল ইসলাম ভূইয়া (ওসি রামু), মো. বাবুল আজাদ (ওসি চকবাজার), নাছির উদ্দিন রাসেল (সিআইডি চট্টগ্রাম), মো. রোবেল আফ্রাদ (ওসি কোতোয়ালি বিএমপি) এবং মফিজুল ইসলাম (পরিদর্শক ডিবি রাজবাড়ী)।

মো. আশরাফুল আলম (রূপসা), মো. মনজুর রহমান (পিবিআই), মো. আবুল কালাম আজাদ (ডিবি মুন্সীগঞ্জ), রূপন নাথ (হাটহাজারী), অর্ণব বড়ুয়া (ডিবি কুমিল্লা), মো. মাজেদুল হক (টেলিকম), মাজহারুল হক (ডিবি চাঁদপুর), কৃষ্ণ কুমার দাস (ডিবি লালবাগ), মো. সুমন ইসলাম (এএসআই গুলশান), মোহাম্মদ সাইদুর রহমান (এলআইসি), মো. ইব্রাহীম মিয়া (র‍্যাব-১১), অসিত কুমার বসাক (ডিবি পাবনা), গোলাম মুর্তজা (বোম ডিসপোজাল ইউনিট), এস এম মেহেদী হাসান (টঙ্গী পূর্ব), মো. তোয়াবুল ইসলাম খান (ডিবি ময়মনসিংহ), ফজলে রাব্বী কায়সার (ডিবি উত্তর সিএমপি), মো. নাজিদ ইমতিয়াজ (সার্জেন্ট পিবিআই), মো. রফিক (ফতুল্লা), রতন মিয়া (পিবিআই যশোর), রেজোয়ান (পিবিআই যশোর), মো. রিয়াজ উদ্দিন রনি (পিবিআই নারায়ণগঞ্জ), আজিজুল হাকিম (টেকনাফ এপিবিএন), মোহা. সিফাত রেজা (বোয়ালিয়া), মোহাম্মদ তানভীর তুষার (ডিবি ওয়ারী), মো. কামাল উদ্দিন (সার্জেন্ট ট্রাফিক গুলশান), সুদীপ চন্দ্র বিশ্বাস (এএসআই ডিবি সুনামগঞ্জ), তুহিনা নাসরিন (এএসআই সিটিএসবি) এবং মো. ইকলাচুর রহমান (এএসআই সাইবার ঝিনাইদহ), মো. রিমন হোসেন (ডিএমপি), মো. শাহ আলম (যাত্রাবাড়ী), বাদশা ফাহাদ (সদর দপ্তর), দিলোয়ার মিয়া (ব্রাহ্মণবাড়িয়া), মো. শিহাব উদ্দিন (ডিবি সাইবার দক্ষিণ), আরিফুল আহম্মদ এবং মো. মেরাজুল ইসলাম (ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ-৩)।

রিপোর্টার্স২৪/ধ্রুব

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪