পশ্চিমবঙ্গ প্রতিনিধি: পশ্চিমবঙ্গের সদ্য শেষ হওয়া বিধানসভা নির্বাচনে ভূমিধস জয় পেয়েছে বিজেপি, ভরাডুবি ঘটেছে তৃণমূল কংগ্রেসের। গতকাল এমন ফলাফল সামনে আসার আগ মূহুর্ত থেকেই তৃণমূলের প্রার্থী-কর্মী-সমর্থকদের উপর হামলা হয়েছে। অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুর করা হয়েছে তৃণমূলের কার্যালয়ে।
সেই ধারাবাহিকতায় এবার মঙ্গলবার (৫ মে) শিলিগুড়ি ও কৃষ্ণনগরে তৃণমূলের কার্যালয় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
শিলিগুড়ির তৃণমূল থেকে নির্বাচিত মেয়র গৌতম দেবের ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডে তার দলীয় কার্যালয়ে ঢুকে তাণ্ডব চালানোর অভিযোগ উঠেছে। কার্যালয়ের ভিতরে থাকা টেবিল, চেয়ার ভেঙে দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় তৃণমূল কর্মী মানস ভৌমিক বলেন, ‘‘বিজেপির গুন্ডাবাহিনী আমাদের দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুর চালায়। যাদের এখনও সরকার গঠন হয়নি, তাদের এই পরিস্থিতি।’’
এছাড়া কার্যালয়ের বাইরে লাগানো তৃণমূলের পতাকা খুলে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। যদিও সব অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিজেপি। স্থানীয় বিজেপি নেতা সুজয় বিশ্বাসের কথায়, “এ সব বিজেপির কাজ নয়। আমাদের দলীয় নেতৃত্ব এমন কোনও নির্দেশ দেয় না। যারা রাতারাতি মুখে আবির মেখে বিজেপি হতে চাইছেন, তাদের কাজ এ সব।’’
আরোও ভয়াবহ কৃষ্ণনগরের অবস্থা। রাজনৈতিক সংঘর্ষ এবং অগ্নিসংযোগের ঘটনায় রণক্ষেত্র বাদকুল্লা মোড় এলাকা। ১২ নম্বর জাতীয় সড়কের পাশে থাকা তৃণমূল কংগ্রেসের একটি দলীয় কার্যালয় দখল করে সেখানে বিজেপির পতাকা টাঙিয়ে দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়। শুধু দখলই নয়, কার্যালয়ের ভেতরে থাকা আসবাবপত্র ভাঙচুর এবং শেষে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে।
তৃণমূলের দাবি, বিজেপিআশ্রিত দুষ্কৃতীরা এই ঘটনা ঘটিয়েছে। পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে। তৃণমূল নেতৃত্বের অভিযোগ, ঘটনার সময় কৃষ্ণনগর কোতোয়ালি থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিল। কিন্তু কোনও পদক্ষেপ করেনি। যদিও এই হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিজেপি।
রিপোর্টার্স২৪/ধ্রুব