ডেস্ক রিপোর্ট : ভারতের রাজনৈতিক ইতিহাসে নজির রয়েছে ফল ঘোষণার পর পরাজয় বরণ করলে রীতি অনুযায়ী পদত্যাগ করতে হয় মুখ্যমন্ত্রীকে। প্রয়োজনে বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী কেয়ারটেকার হিসেবে দায়িত্বে থাকেন। এবার সেই রীতি ভেঙ্গেছেন মমতা।
ফলাফলের তথ্য নিশ্চিত হলেই রাজ্যপালের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন মুখ্যমন্ত্রী। এর পরেই প্রশস্ত হয় নতুন সরকার গঠনের পথ। ভারতের টিভিনাইন বাংলার প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১১ সালে ক্ষমতা হারানোর পর তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য ফল ঘোষণার দিনই পদত্যাগপত্র জমা দেন। সেটাই ছিল প্রচলিত রাজনৈতিক সৌজন্য ও রীতি।
এদিকে ভোটগণনার দিনই তিনি ছুটে যান গণনাকেন্দ্রে। ভোট কারচুপির অভিযোগও তুলছেন। তাঁর দাবি—“১০০ আসন চুরি করা হয়েছে”, বিজেপির জয় “অনৈতিক”। এই অভিযোগ ঘিরেই নতুন করে রাজনৈতিক উত্তাপ ছড়ানোর পাশাপাশি পদত্যাগের বিষয়েও রয়েছে অনিশ্চয়তা। আইনি লড়াইয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছেন - এমন ধারণাও করা করেছে অনেকে। ভোট কারচুপির অভিযোগ সামনে এনে তিনি আদালতের দ্বারস্থ হতে পারেন বলেই ধারণা বিশ্লেষকদের।
রীতি ভাঙ্গায় প্রশ্ন উঠছে কেন প্রথা ভাঙলেন তিনি। পদত্যাগ না করার আড়ালের অন্য কৌশলে মমতা যাচ্ছেন কি না এ নিয়ে চলচ্ছে জল্পনা।
গত কাল ৪ মে ফলাফল ঘোষনার পরেই পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক মানচিত্রে ক্ষমতার রতবদলের ঝড় বইছে। সত্তরোর্ধ্ব তুখোড় রাজনীতিবিদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হেরে গেছেন। পশ্চিমবঙ্গের মসনদে উড়ছে গেরুয়া পতাকা। দীর্ঘ ৩৪ বছরের বাম দুর্গের পতন ঘটানো মমতার এবার যাবার পালা। এবারের নির্বাচনে বড় ধাক্কা খেয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। শুধু দল নয় নিজ কেন্দ্র ভবানীপুর থেকেও পরাজিত হয়েছেন মমতা।
রিপোর্টার্স২৪/ফয়সাল