স্পোর্টস ডেস্ক: ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর গ্রুপ ‘এইচ’-এর প্রথম ম্যাচেই বড় অঘটনের জন্ম দিয়েছে টুর্নামেন্টে অভিষেক হওয়া কেপ ভার্দে। ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়ন ও ২০১০ সালের বিশ্বকাপজয়ী স্পেনকে গোলশূন্য ড্রয়ে আটকে দিয়ে নিজেদের ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা ফল তুলে নিয়েছে আফ্রিকার দেশটি।
ম্যাচজুড়ে বলের দখল ও আক্রমণে ছিল স্পেনের একচ্ছত্র আধিপত্য। লা রোজা মোট ২৭টি শট নেয়, যার মধ্যে ৭টি ছিল লক্ষ্যে। বিপরীতে কেপ ভার্দে মাত্র ৬টি শট নিতে সক্ষম হয়। তবে স্প্যানিশদের কোনো প্রচেষ্টাই জালে পৌঁছাতে পারেনি।
স্পেনের গোলবঞ্চনার প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়ান কেপ ভার্দের অভিজ্ঞ গোলরক্ষক ভোজিনিয়া। ৪০ বছর বয়সী এই গোলরক্ষক পুরো ম্যাচে একের পর এক দুর্দান্ত সেভ করে দলের রক্ষাকবচে পরিণত হন।
প্রথমার্ধের শেষদিকে মিকেল ওইয়ারসাবাল, এমেরিক লাপোর্তে ও ফেরান তোরেসের নিশ্চিত গোলের সুযোগ নষ্ট করে দেন তিনি। তোরেসের একটি শক্তিশালী শট ক্রসবারে লেগে ফিরে এলে ফিরতি বলে ওইয়ারসাবালের হেডও অসাধারণ দক্ষতায় প্রতিহত করেন ভোজিনিয়া।
রক্ষণে দৃঢ়তা দেখানোর পাশাপাশি পাল্টা আক্রমণেও কয়েকবার স্পেনকে চাপে ফেলে কেপ ভার্দে। তবে শেষ মুহূর্তে কার্যকর ফিনিশিংয়ের অভাবে তারাও গোলের দেখা পায়নি।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেও স্পেনের আক্রমণ সামলে নেয় আফ্রিকার প্রতিনিধিরা। ম্যাচের ৭০তম মিনিটে চোট থেকে পুরোপুরি সেরে না ওঠা তরুণ তারকা লামিনে ইয়ামালকে মাঠে নামান স্পেন কোচ। কিন্তু তাতেও ম্যাচের চিত্র বদলায়নি।
শেষ পর্যন্ত ভোজিনিয়ার অনবদ্য গোলকিপিং এবং কেপ ভার্দের শৃঙ্খলিত রক্ষণভাগের সামনে ব্যর্থ হয় স্পেনের আক্রমণভাগ। ফলে ০-০ গোলের ড্র নিয়েই বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করতে হয় সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের, আর ইতিহাস গড়ে এক মূল্যবান পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়ে কেপ ভার্দে।
রিপোর্টার্স২৪/বাবি