| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

বাবার রক্তের বদলা নেওয়ার অঙ্গীকার মোজতবা খামেনির

reporter
  • আপডেট টাইম: Jul ১১, ২০২৬ ইং | ১৯:৪৩:২৩:অপরাহ্ন  |  ২৬৩৩ বার পঠিত
বাবার রক্তের বদলা নেওয়ার অঙ্গীকার মোজতবা খামেনির

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক: ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে নিরপরাধ উল্লেখ করে তার ‘রক্তের’ বদলা নেওয়ার অঙ্গীকার করেছেন ছেলে মোজতবা খামেনি। আলী খামেনির দাফনের পর দেওয়া প্রথম বার্তায় এ অঙ্গীকার করেছেন ইরানের বর্তমান সর্বোচ্চ নেতা।

ওই বার্তায় তিনি আরও বলেন, ‘প্রতিশোধ নেওয়া আমাদের জাতির চাওয়া।’

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুদ্ধ শুরুর প্রথম দিনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় নিহত হন আলী খামেনি।

বার্তায় আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির শেষ বিদায়ে লাখো মানুষের ‘শত্রুবিদ্বেষী ও ঐতিহাসিক উপস্থিতি’র জন্য মোজতবা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। ইরান গত বৃহস্পতিবার নিজেদের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে চিরনিদ্রায় শায়িত করেছে। তাকে দেশটির সবচেয়ে পবিত্র বলে খ্যাত ইমাম রেজার মাজারে দাফন করা হয়। বাবার দাফনের সময়েও উপস্থিত ছিলেন না আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ছেলে ও ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি। নিরাপত্তাজনিত কারণেই শুরু থেকে আড়ালে রাখা হয়েছে ৫৬ বছর বয়সী এই নেতাকে।  

পুরো শোক আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন না ইরানের নতুন নেতা। অনেকেরই প্রত্যাশা ছিল, তাকে বাবার শোক আয়োজনে দেখা যাবে। বহু ইরানি এমন প্রত্যাশা নিয়ে হাজিরও হয়েছিলেন। তবে তিনি অনুপস্থিতই ছিলেন। এখনো অনেক ইরানির কাছেই বিষয়টি রহস্য।

গত ফেব্রুয়ারির হামলায় মোজতবা খামেনির চেহারায় বিকৃতি এসেছে এবং দুই পা গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গেছে। নিরাপত্তাজনিত কারণে মোজতবা খামেনি সামনে আসেননি বলেও ধারণা করা হচ্ছে। এক সূত্র জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র আবারও হামলা চালাতে পারে এমন শঙ্কায় তার উপস্থিতি সীমিত করার চেষ্টা করছে রাষ্ট্রীয় সুরক্ষা সেবাগুলো।

মোজতবা খামেনি ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে প্রকাশ্যে আসেননি। তার কোনো ছবি বা ভিডিও বা কণ্ঠস্বর প্রকাশ করা হয়নি। তেহরানের জ্যেষ্ঠ সূত্রগুলো বলছেন, তিনি ধীরে ধীরে সেরে উঠছেন। তবে এখনো সামনে আসার মতো অবস্থায় আসেননি।

রয়টার্সের প্রতিবেদন বলছে, সপ্তাহব্যাপী শোক আয়োজনের পর উত্তর-পূর্ব ইরানের মাশহাদে দাফন করা হয় আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে। এমন একটি সময় দাফন সম্পন্ন হলো, যখন নতুন করে আবারও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংঘাতে জড়িয়েছে ইরান। বৃহস্পতিবার জনসাধারণে পরিপূর্ণ মাশহাদের সড়ক দিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় খামেনির লাশ। উপস্থিত অনেককে এসময় দেখা যায় দেশের পতাকা হাতে। কারো কারো হাতে আবার ছিল প্রয়াত আলী খামেনির ছবি ও নানাবিধ স্লোগানসম্ববলিত লাল প্ল্যাকার্ড।

ইরান ও ইরাক দুই দেশেই আয়োজিত হয়েছিল আলী খামেনির শোক আয়োজন। তার লাশ নিয়ে যাওয়া হয়েছিল ইরাকের নাজাফ ও কারবালা শহরে। সূত্র: আল জাজিরা

রিপোর্টার্স২৪/ধ্রুব

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪