পঞ্চগড় প্রতিনিধি: জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, পঞ্চগড় বাংলার উত্তরের দরজা। উত্তরের অতন্দ্র পাহারাদার। কিন্তু আমরা দেখি এই সীমান্তে ভারতীয় বিএসএফ আমাদের বাংলাদেশীদের নির্মমভাবে খুন করে। এই সীমান্তে হত্যাকাণ্ড পঞ্চাশ বছরেও কোনো সরকার বন্ধ করতে পারে নাই। এখন আমরা দেখছি ভারত থেকে অবৈধভাবে পুশইন করা হচ্ছে। আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই, এটা হাসিনার বাংলাদেশ নয়, এটা ছাত্র জনতার বাংলাদেশ। যদি পাঠাতে হয়, সেই শেখ হাসিনা এবং আওয়ামী লীগের ফ্যাসিস্টদের বাংলাদেশে পাঠান। আমার জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বিচারের আওতায় তাদের নিয়ে আসবো। আমরা বাংলাদেশিরা ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে এই ভারতের এই আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ আছি।
‘দেশ গড়তে জুলাই পদযাত্রা’র তৃতীয় দিনে বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) বিকেল ৬টায় পঞ্চগড় জেলা স্টেডিয়াম থেকে একটি পদযাত্রা বের হয়ে পঞ্চগড় শহরের চৌরঙ্গী মোড়ে গিয়ে পদযাত্রার সমাপ্তি ঘটে। দেড় কিলোমিটার এই পদযাত্রায় এনসিপির শীর্ষ নেতারাসহ হাজারো মানুষ অংশ নেন। পরে সন্ধ্যায় চৌরঙ্গীমোড়ে আয়োজিত সমাপনী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, সারাদেশে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উদ্যোগে এই জুলাই মাসে শুরু হয়েছে দেশ গড়তে জুলাই পদযাত্রা। ২০২৪ শে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আমরা একটি স্বৈরাচার ফ্যাসিস্ট সরকারের পতন ঘটিয়েছিলাম। আমরা একটা নতুন রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে সংগঠিত হয়েছি। আমরা আপনাদের কাছে এসেছি। আমরা গণঅভ্যুত্থানের পরেও রাজপথ থেকে সরে যাইনি। আমরা রাজপথে আছি। আপনাদের অধিকারের জন্য লড়াই করছি।
এ সময় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ, উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলাম, জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব ডা. তাসনিম জারা, যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার, ডা. আতিক মুজাহিদ, যুগ্ম মুখ্য সংগঠক আলী নাছের খান, আবু সাঈদ লিওনসহ স্থানীয় নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
রিপোর্টার্স২৪/সোহাগ