| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

বিনিয়োগ ও বাণিজ্য জোরদারে একসঙ্গে কাজ করবে বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ড

reporter
  • আপডেট টাইম: Jul ০৯, ২০২৫ ইং | ১৪:২২:০৯:অপরাহ্ন  |  ১৭৫৮৯৯৪ বার পঠিত
বিনিয়োগ ও বাণিজ্য জোরদারে একসঙ্গে কাজ করবে বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ড
ছবির ক্যাপশন: বিনিয়োগ ও বাণিজ্য জোরদারে একসঙ্গে কাজ করবে বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ড

রিপোর্টা২৪র্স ডেস্ক : দক্ষিণ-পূর্ব এবং এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলে বাজার সম্প্রসারণে বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ডের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধিতে গুরুত্ব দিয়েছেন দু’দেশের ব্যবসায়ীবৃন্দ। এ জন্য আঞ্চলিক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) বাস্তবায়ন জরুরি বলে মনে করছেন তারা।

বুধবার  (৯ জুলাই) রাজধানীর গুলশানে ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বারস অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই) এবং থাই-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের মধ্যে অনুষ্ঠিত এক সভায় এই মতামত জানানো হয়। এফবিসিসিআই’র প্রশাসক মো. হাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় বাংলাদেশে রয়েল থাই অ্যাম্বাসির চার্জ দ্য’অ্যাফেয়ার্স মি. পানম থংপ্রায়ুন উপস্থিত ছিলেন।

সভায় বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ডের মধ্যকার বাণিজ্য সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করে এফবিসিসিআই’র প্রশাসক মো. হাফিজুর রহমান বলেন, থ্যাইল্যান্ড হল এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের অন্যতম বাণিজ্যিক হাব। আর, বাংলাদেশের রয়েছে বিপুল দক্ষ এবং তরুণ জনশক্তি। এসব সুবিধাকে কাজে লাগিয়ে উভয় দেশের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধির পর্যাপ্ত সুযোগ রয়েছে। এক্ষেত্রে, প্রক্রিয়াজাত খাদ্য, পর্যটন, স্বাস্থ্যসেবা ও ঔষধ, অবকাঠামো, জ্বালানি এবং হালকা প্রকৌশল প্রভৃতি খাতে বিনিয়োগ সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করেন এফবিসিসিআই’র প্রশাসক।

উভয় দেশ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি বা এফটিএ ইস্যুতে অগ্রসর হবে আশাবাদ ব্যক্ত করে মো. হাফিজুর রহমান রহমান বলেন, বাণিজ্য চুক্তি বাস্তবায়নের মাধ্যমে পণ্য ও সেবা আমদানি-রপ্তানি আরও ত্বরান্বিত হবে। পাশাপাশি বিনিয়োগ উৎসাহিত হবে। এ সময়, দক্ষিণ-পূর্ব এবং এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের বাজার সুবিধাকে কাজে লাগাতে আঞ্চলিক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির (এফটিএ) ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

থাই অ্যাম্বাসির চার্জ দ্য’অ্যাফেয়ার্স পানম থংপ্রায়ুন বলেন, থাইল্যান্ড ও বাংলাদেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য এবং পারস্পরিক সহযোগিতার সম্পর্ক উন্নয়নে উভয়পক্ষ নিবিড়ভাবে কাজ করবে। এই সভার মাধ্যমে দু’দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে নেটওয়ার্কিং আরও শক্তিশালী হবে বলে প্রত্যাশা করেন তিনি।

থাই-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি এবং ঢাকা চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) সাবেক সভাপতি শামস মাহমুদ, থাই-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্সের সিনিয়র সহ-সভাপতি এবং এফবিসিসিআই’র সাবেক সহ-সভাপতি মো. মুনির হোসেন, এফবিসিসিআই’র মহাসচিব মো. আলমগীর, এফবিসিসিআই’র ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স উইংয়ের প্রধান মো. জাফর ইকবাল, থাই-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের নেতৃবৃন্দ এবং উভয় দেশের ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাবৃন্দ সভায় উপস্থিত ছিলেন।




রিপোর্টর্স২৪/ঝুম

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪