| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

নৌকা বাদ দিয়ে শাপলা তালিকাভুক্ত করার দাবি এনসিপি’র

reporter
  • আপডেট টাইম: Jul ১৩, ২০২৫ ইং | ১১:১০:৩৬:পূর্বাহ্ন  |  ১৭১৫২৬৯ বার পঠিত
নৌকা বাদ দিয়ে শাপলা তালিকাভুক্ত করার দাবি এনসিপি’র
ছবির ক্যাপশন: ছবি সংগৃহীত

রিপোর্টার্স ডেস্ক: আওয়ামী লীগের নিবন্ধন স্থগিত থাকায় নির্বাচন কমিশনের তফসিল থেকে নৌকা প্রতীক বাদ দেওয়ার দাবি জানিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। একইসঙ্গে ‘এনসিপির প্রতীক’ হিসেবে শাপলা তালিকাভুক্ত করারও দাবি জানিয়েছে দলটি।

দলের নেতারা বলছেন, শাপলা জাতীয় প্রতীক নয়। এ প্রতীক পেতে আইনগত কোনো বাধা নেই।  

রোববার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সাথে বৈঠক শেষে এনসিপি নেতারা এসব কথা বলেন। এ সময় নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ ও ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে এনসিপির পাঁচ সদস্যর প্রতিনিধিদল অংশ নেন। প্রতিনিধি দলে ছিলেন দলটির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী, দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ, উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, যুগ্ম আহ্বায়ক খালেদ সাইফুল্লাহ ও যুগ্ম সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম মুসা।

বেঠক শেষে এক ব্রিফিংয়ে নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী বলেন, নির্বাচনী প্রতীক হিসেবে আমাদের শাপলা ছাড়া বিকল্প অপশন নেই। আইনগতভাবে শাপলা পেতে আমাদের কোনো বাধা নেই। যদি বাধা দেওয়া হয়, সেটা আমরা রাজনৈতিকভাবে লড়াই করব।

তিনি বলেন, নির্বাচনের আগে ইসি পুনর্গঠন করতে হবে। এটা স্ট্রেট ফরোয়ার্ড কথা। ইসি যেভাবে পুনর্গঠিত হয়েছিল, আগের সেই আইন পরিবর্তন করতে হবে। ঐকমত্য কমিশনের প্রস্তাব অনুযায়ী ইসিসহ সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে যারা ভালো কাজের পরিচয় দিয়েছে তাদের রাখা যেতে পারে। অনেকে তাদের ব্যক্তি জায়গা থেকে একটা দলের মুখপাত্র হিসেবে কাজ করছে।

সিইসির সঙ্গে বৈঠকের বিষয়ে অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম মুসা বলেন, আওয়ামী লীগের নিবন্ধন স্থগিত থাকা সত্ত্বেও তালিকা থেকে নৌকা প্রতীক বাদ দেওয়া হয়নি। আমরা এ বিষয়টি ইসির নজরে এনেছি। আইনগতভাবে নৌকা প্রতীক তালিকায় রাখতে পারে না ইসি। ইতোমধ্যে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করেছে সরকার। এরপরই নিবন্ধন স্থগিত করে ইসি। যতক্ষণ আওয়ামী লীগের বিষয়ে সরকারের অন্য কোনো সিদ্ধান্ত বা আদালতের কোনো নির্দেশনা না আসবে, ততক্ষণ নৌকা প্রতীক তালিকায় রাখা যাবে না।

শাপলা জাতীয় প্রতীক নয় উল্লেখ করে জহিরুল ইসলাম মুসা বলেন, জাতীয় প্রতীক হচ্ছে ভাসমান শাপলা, ধানের শীষ, তারকা, পাটপাতা। এই চারটি উপাদানের মধ্যে ধানের শীষ এখন বিএনপির প্রতীক। তারকা একটি দলের ও সোনালী আঁশ আরেকটি দলের প্রতীক। জাতীয় ফল কাঁঠালও একটি দলের রয়েছে। 

তিনি বলেন, আমরা নৌকার বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছি, তালিকায় রাখা যাবে না। এটি করতে গেলে ইসিকে ওই তালিকায় সংযোজন-বিয়োজন করতে হবে। সে জায়গায় আমরা এনসিপির পক্ষ থেকে নতুন দরখাস্ত দিয়েছি। 

এর আগে গত ২২ জুন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) নির্বাচন কমিশনে দলের নিবন্ধনের আবেদন করে। ওইদিন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছিলেন, আমাদের দলীয় প্রতীকের জন্য তিনটি মার্কার আবেদন করেছি। সেগুলো হলো শাপলা, কলম ও মোবাইল। আমাদের প্রথম পছন্দ শাপলা প্রতীক। আমরা আশা করছি, জনগণের মার্কা হিসেবে এবং গণঅভ্যুত্থানের মার্কা হিসেবে, গ্রাম বাংলার প্রতীক হিসেবে শাপলা এনসিপি পাবে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালার প্রতীক তালিকায় নতুন-পুরাতন সব মিলিয়ে ১১৫টি প্রতীক অন্তভুক্ত করে ভেটিংয়ের জন্য আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে ইসি। এর মধ্যে শাপলা প্রতীক তফসিলভুক্ত করা হয়নি। পাশাপাশি নিবন্ধন পুনর্বহালের পর দাঁড়িপাল্লা প্রতীক যুক্ত করা হয়েছে এবং নিবন্ধন স্থগিত থাকলেও নৌকা প্রতীক বহাল রয়েছে।


রিপোর্টার্স২৪/আরএইচ

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪