| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

আমলাতান্ত্রিক কর্তৃত্ব দমনে নিরপেক্ষ ও মেধাভিত্তিক পিএসসি চায় জামায়াত

reporter
  • আপডেট টাইম: Jul ২৮, ২০২৫ ইং | ১৩:৫৮:০১:অপরাহ্ন  |  ১৫৮৭৭৭২ বার পঠিত
আমলাতান্ত্রিক কর্তৃত্ব দমনে নিরপেক্ষ ও মেধাভিত্তিক পিএসসি চায় জামায়াত
ছবির ক্যাপশন: ছবি সংগৃহীত

রিপোর্টার্স ডেস্ক : দেশের আমলাতন্ত্র থেকে ‘কর্তৃত্ববাদী ভূত’ দূর করতে একটি স্বচ্ছ, মেধাভিত্তিক এবং নিরপেক্ষ পাবলিক সার্ভিস কমিশন (পিএসসি) দাবি করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের।

তিনি বলেন, আমরা এমন একটি পিএসসি চাই যা— স্বচ্ছ, মেধাভিত্তিক এবং নিরপেক্ষ, যাতে কোনো ‘স্বৈরাচারী ভূত’ আর প্রশাসনে রাজত্ব করতে না পারে।

সোমবার (২৮ জুলাই) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন ও রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যে দ্বিতীয় দফা সংস্কার সংলাপের ২০তম অধিবেশনের মধ্যাহ্নভোজের বিরতির সময় সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এ কথা বলেন।

ডা. তাহের বলেন, অতীতে অনেক প্রতিভাবান তরুণকে রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে চাকরি থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে অথবা তারা তাদের চাকরি হারিয়েছেন। এতে মূলত রাষ্ট্রের সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রতিবেশী দেশগুলোতে পিএসসি নিয়ে কোনো আপস নেই। তারা নিশ্চিত করে যে যোগ্য ব্যক্তিদের নিয়োগ করা হয় এবং রাষ্ট্রকে শক্তিশালী করার জন্য প্রশাসনে যোগ্যতার মূল্যায়ন করা হয়।’

বিদ্যমান ব্যবস্থার সমালোচনা করে জামায়াতের এই নেতা বলেন, প্রশাসনে নিয়োগ কখনও কখনও ‘একটি নোটের মাধ্যমে’ নির্ধারিত হয়।

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা চাই একটি স্বাধীন সংস্থা হিসেবে সংবিধানের মাধ্যমে সুরক্ষিত পিএসসি। কোনো মন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রী বা রাজনৈতিক দলের হস্তক্ষেপমুক্ত থাকুক।’

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ সোমবার(২৮ জুলাই) সকালে পিএসসি এবং আরও তিনটি গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক ও সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান - দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), নিয়ন্ত্রক ও নিরীক্ষক জেনারেল (সিএজি) এবং ন্যায়পালের কার্যালয়ে নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনার জন্য একটি প্রস্তাব উত্থাপন করেছেন।

জামায়াতের এই নেতা বলেন, বেশিরভাগ রাজনৈতিক দল সংবিধানে এই সংস্থাগুলোর স্বাধীনতা অন্তর্ভুক্ত করার পক্ষে। কিন্তু বিএনপি এবং আরও কয়েকজন যুক্তি দিয়েছেন যে, সংবিধান সংশোধন না করে আইনের মাধ্যমে সুরক্ষা দেওয়া কঠিন।

তিনি বলেন, ‘যদি এই প্রতিষ্ঠানগুলো আইনগতভাবে সুরক্ষিত থাকে, তবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা সম্পন্ন যেকোনো সরকার সকাল এবং সন্ধ্যায় যে কোনো সময় আইন পরিবর্তন করতে পারে। তাই, স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে ও দলীয় সুবিধা দূর করতে সংবিধানে এটি থাকা আবশ্যক।’

সংলাপ থেকে বিএনপির ওয়াকআউট প্রসঙ্গে তাহের বলেন, ‘পুরো অনুষ্ঠান বর্জন করে পরে যোগ না দেওয়ার জন্য আমরা তাদের ধন্যবাদ জানাই। আমরা দলগুলোকে সরকার বা বিরোধী দল হিসেবে দেখি না - আমরা দেশের জন্য সবচেয়ে ভালো কী, তার উপর ভিত্তি করে প্রস্তাবগুলো মূল্যায়ন করি।’

নির্বাচন সম্পর্কে তিনি বলেন, নির্বাচন হলে, ইশতেহারে আমাদের প্রথম এজেন্ডা হবে দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলা।



রিপোর্টার্স২৪/আরএইচ

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪