| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

রিয়াদের আরও একটি বাসা সনাক্ত, উদ্ধার লাখ ৯৮ হাজার টাকা

reporter
  • আপডেট টাইম: Jul ৩১, ২০২৫ ইং | ০৭:৩৯:১২:পূর্বাহ্ন  |  ১৬৯৮৩২৮ বার পঠিত
রিয়াদের আরও একটি বাসা সনাক্ত, উদ্ধার  লাখ ৯৮ হাজার টাকা
ছবির ক্যাপশন: রিয়াদের আরও একটি বাসা সনাক্ত, উদ্ধার ২ লাখ ৯৮ হাজার টাকা

রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক:

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক নেতা আবদুর রাজ্জাক বিন সোলাইমান রিয়াদের আরও একটি বাসার খোঁজ পেয়েছে পুলিশ। আর সেই বাসা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে নগদ ২ লাখ ৯৮ হাজার টাকা। এছাড়া রিয়াদ ও তার সহযোগীরা অন্য কোথায় কোথায় চাঁদাবাজি করেছে সেই বিষয়েও খোঁজ নিচ্ছে পুলিশ।

পুলিশের এক কর্মকর্তা বলেন, আমরা রিয়াদের আরও চাঁদাবাজির বিষয়ে খোঁজ নিচ্ছি। এছাড়া বাড্ডা এলাকায় রিয়াদের আরও একটি বাসার খোঁজ পাওয়া গেছে। সেখান থেকে নগদ ২ লাখ ৯৮ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। 

গত ২৬ জুন আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি আব্দুল কালাম আজাদের গ্রিন রোডের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে যান রিয়াদ ও তার কয়েকজন সহযোগী। মব তৈরির হুমকি দিয়ে তার গলায় জুতার মালা পরানোর ভয় দেখানো হয়। এরপর আজাদের কাছ থেকে পাঁচ কোটি টাকার চেক ও একটি জমির দলিল নেন রিয়াদ। নবম জাতীয় সংসদের রংপুর-৬ আসনের এমপি ছিলেন আজাদ। 

এদিকে, রিয়াদের ঢাকার ভাড়া বাসা থেকে দুই কোটি ২৫ লাখ টাকার চারটি চেক উদ্ধার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। গতকাল বুধবার দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপির গণমাধ্যম ও জনসংযোগ বিভাগের উপকমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান এ তথ্য জানান। 

খোজ নিয়ে জানতে পেরেছে, রিয়াদের বাসা থেকে উদ্ধার চারটি চেক সাবেক এমপির কাছ থেকে নেওয়া। বাকি আড়াই কোটি টাকার চেক রিয়াদের সহযোগীদের কাছে রয়েছে। তাদের নাম-পরিচয় পুলিশ পেয়েছে। জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। এদিকে, চেক উদ্ধারের ঘটনায় রিয়াদ ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে আরেকটি মামলার প্রস্তুতি চলছে। 

তদন্ত-সংশ্লিষ্ট আরেকটি সূত্রে জানা যায়, সাবেক এমপির ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে পাঁচ কোটি টাকার যেসব চেক নেওয়া হয় সেগুলো আগস্টে ব্যাংকে জমা দেওয়ার কথা ছিল। এ ছাড়া নিট জোন প্রাইভেট লিমিটেড নামের প্রতিষ্ঠান থেকে চেক ইস্যু করা হয়। তবে চেক কারও নামে দেওয়া হয়নি। শুধু সই ও টাকার অঙ্ক লেখা ছিল। 

গত ২৬ জুলাই গুলশানে আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি শাম্মী আহমেদের বাসায় চাঁদাবাজির অভিযোগে রিয়াদসহ পাঁচজনকে আটক করা হয়। এ ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে। রিয়াদসহ চারজন এখন সাত দিনের রিমান্ডে রয়েছে। রিমান্ডে থাকা অন্য তিনজন হলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ঢাকা মহানগর শাখার আহ্বায়ক ইব্রাহীম হোসেন মুন্না, সদস্য সাকাদাউন সিয়াম ও সাদাব। 

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাদের উদ্যোগে কয়েক মাস আগে ছাত্র সংগঠন হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ। এই সংগঠন হওয়ার আগে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন গত ফেব্রুয়ারিতে সম্মিলিত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শাখার যে আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করেছিল, সেই কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক করা হয়েছিল রিয়াদকে।   

ডিএমপির ডিসি মুহাম্মদ তালেবুর রহমান বলেন, গুলশানে সাবেক সংসদ সদস্যের বাসায় গিয়ে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির ঘটনায় গ্রেপ্তার আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে  নাখালপাড়ায় রিয়াদের ভাড়া বাসা থেকে চারটি চেক উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় কলাবাগান থানায় আলাদা একটি মামলার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন।

তালেবুর বলেন, ভুক্তভোগী আগেই যদি পুলিশকে জানাতেন, তাহলে এ অপরাধ ঠেকানো যেত। পুলিশ বিষয়গুলো খতিয়ে দেখছে, কী কারণে তারা চাঁদা দিয়েছিলেন। তাদের কোনো দুর্বলতা ছিল কিনা। চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত কারও দলীয় পরিচয় মুখ্য বিষয় নয়। তদন্ত চলছে। আর কেউ জড়িত আছে কিনা, তা তদন্তে জানা যাবে।



রিপোর্টার্স২৪/ঝুম

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪