প্রধান উপদেষ্টাকে উদ্দেশ্য করে ফারুক বলেন, আপনি যদি একটি সুষ্ঠু ভোট করে দিতে পারেন তাহলে দেশের মানুষ তার পছন্দের দলকে ভোট দিয়ে সংসদ করবে।
সব প্রক্রিয়া শেষে আগামী দু-একদিনের মধ্যেই এ সংক্রান্ত আদেশ জারি হতে যাচ্ছে বলে জানা গেছে।
গণতন্ত্রের কোনো বিকল্প নাই, গণতন্ত্র ফেরত না আসলে পরিণতি অতীতের মতো হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু
এছাড়াও ওই সময় সামরিক (সেনা, নৌ ও বিমান) বাহিনীর সদস্যরা, পুলিশ, র্যাব ও এভিয়েশন সিকিউরিটির (এভসেক) সদস্য, যারা নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন তাদের প্রতিও আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান।
দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গ ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার বিষয়টি আমলে নিয়ে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
১৭ বছর আগে ২০০৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর তারেক রহমানের সঙ্গে দেশ ছেড়েছিলেন জোবাইদা রহমান।
ইনশাআল্লাহ, সেদিন আর বেশি দূরে নয়, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমানও এই মাঠে এসে নেতৃত্ব দেবেন।
মঙ্গলবার (৬ মে) সকাল ১০টা ৩৮ মিনিটে রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাকে বহনকারী কাতারের আমিরের বিশেষ ফ্লাইটটি অবতরণ করে। এসময় মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ দলের জ্যেষ্ঠ নেতারা তাকে স্বাগত জানান।
আরেক প্রশ্নের জবাবে বিএনপি চেয়ারপারসনের ব্যক্তিগত এই চিকিৎসক বলেন, যখনই প্রয়োজন এবং জাতির প্রয়োজনে বেগম খালেদা জিয়া নেতৃত্ব দেবেন।
মঙ্গলবার (৬ মে) সকাল ১০টায় চিকিৎসা শেষে বেগম খালেদা জিয়া দেশে ফিরে আসলে তাকে স্বাগত জানানোর জন্য শত শত পেশাজীবী ব্যানার ও জাতীয় পতাকা হাতে বনানীতে অবস্থান নেন। সেখানে সাংবাদিকদের উদ্দেশে এসব কথা বলেন কাদের গনি চৌধুরী।
১৭ বছর আগে ২০০৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর তারেক রহমানের সঙ্গে দেশ ছেড়েছিলেন জোবাইদা রহমান।
লন্ডনে চিকিৎসা শেষে দীর্ঘ চার মাস পর গুলশানের বাসভবন ফিরোজায় প্রবেশ করলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। মঙ্গলবার দুপুর ১ টা ২৬ মিনিটে দুই ছেলে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্ত্রী এবং প্রয়াত ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রীকে নিয়ে বাসাটিতে প্রবেশ করেন খালেদা জিয়া।
রাজধানীর গুলশান ২ গোল চত্বর এলাকায় মঙ্গলবার (৬ মে) সকালে বেগম খালেদা জিয়াকে স্বাগত জানাতে জমকালো আয়োজন করে জিয়া সাইবার ফোর্স। ঢাকা মহানগর উত্তর জিয়া সাইবার ফোর্সের আহবায়ক মুরাদ হোসেন আকাশ, সদস্য সচিব দেলোয়ার হোসেন দীপ এবং গুলশান থানা জিয়া সাইবার ফোর্সের আহ্বায়ক আমিনুল ইসলাম মৃধাসহ সংগঠনের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ এতে অংশ নেন।