ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি: ভারতীয় প্রতারকের বিয়ের প্রলোভনে পাচারকালে সুনামগঞ্জের এক তরুণীকে উদ্ধার করলো র্যাব-৯ সদস্যরা। মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) রাতে পাঠানো এক প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানায় র্যাব-৯।
বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানায়, ‘ভারতের আসাম রাজ্যের জনৈক রেজাউল করিম’র সাথে বাংলাদেশের নাগরিক
সুনামগঞ্জ জেলার সুনামগঞ্জ সদর থানার মোছা. তাছনিম জাহান আলো (২০) এর সোস্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে দীর্ঘদিন
যোগাযোগ করে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। একপর্যায়ে প্রতারক ও মানবপাচারকারী জনৈক রেজাউল করিম কৌশলে মিথ্যা
বিবাহের আশ্বাসে ও প্রলোভন দেখিয়ে ভিকটিমের নিজ এলাকা থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নিয়ে আসেন।
ভিকটিম নিখোঁজ হওয়ার পর তার বড় ভাই বাদী হয়ে সুনামগঞ্জ সদর থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরী করেন।
উক্ত ঘটনার প্রেক্ষিতে ভিকটিমকে উদ্ধার ও আসামীদের আইনের আওতায় আনতে র্যাব-৯ গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-৯ ব্রাহ্মণবাড়িয়া এবং সিপিসি-৩, সুনামগঞ্জের একটি যৌথ আভিযানিক দল গতকাল মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) বিকালে ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলার সদর এলাকার ঘাটিয়ারার একটি আবাসিক হোটেল রুমে অভিযান পরিচালনা করে নিখোঁজ ভিকটিমকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়।
উদ্ধারকৃত ভিকটিমের আলোর বাবা আব্দুল আউয়াল। ঘটনাস্থলে রেজাউল করিম কে পাওয়া যায়নি বিধায় তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। ভিকটিমের কাছ থেকে জানা যায়, রেজাউল করিম ভারতের আসাম রাজ্যের নাগরিক এবং হোয়াটসএ্যাপ এর মাধ্যমে ভিকটিমের সাথে যোগাযোগ করতেন। রেজাউল করিম ভিকটিমকে বিবাহ করে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত এলাকা দিয়ে ভারতে নিয়ে যাবে মর্মে প্রলোভন দেখায় এবং হোটেলে অপেক্ষা করতে বলে।
অনুসন্ধানে জানা যায় যে, জনৈক রেজাউল করিম একজন প্রতারক ও মানবপাচারকারীর সক্রিয় সদস্য। পরবর্তীতে উদ্ধাকৃত ভিকটিমকে তার পরিবারের লোকজনের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।
রিপোর্টার্স২৪/প্রীতিলতা