রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক : জুলাই সনদের আইনগত ভিত্তির জন্য নভেম্বরের মধ্যই গণভোট দিতে হবে বলে সম্প্রতি এক বক্তব্যে দাবি করেছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। তবে জামায়াত নেতার এই মন্তব্যকে ‘মামাবাড়ির আবদার’ হিসেবে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।
আজ (মঙ্গলবার) দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে রিজভী বলেন, জাতীয় নির্বাচনের দিনই যদি গণভোট নেওয়া যায়, তাহলে অতিরিক্ত খরচ ও সময় সাশ্রয় হবে। তবে গণভোটের বিষয়গুলো আরও স্পষ্ট করা উচিত— কোন কোন সংস্কার আনা হবে, তা জনগণকে জানাতে হবে।”
একইসঙ্গে তিনি এ কথাও বলেন যে, আওয়ামী লীগ সচল থাকবে নাকি নিষিদ্ধ হবে, সে সিদ্ধান্ত নেবে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। তবে যারা অপরাধে জড়িত, তাদের বিচার অবশ্যই হতে হবে।
বিএনপির এই নেতা বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্রসংসদ নির্বাচনে জিতলেই যে জাতীয় নির্বাচনে জিতবে, সেটি ভাবা ভুল। সব পেয়ে গেছি, এটা ভাবলে জামায়াতে ইসলামীর আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত হবে।
তিনি আরও বলেন, “নির্বাচন কোনো দলের অধীনে নয়, সরকারের অধীনেই অনুষ্ঠিত হয়। তাই এই নির্বাচন নিয়ে জনগণের মধ্যে কোনো সংশয় নেই। বরং, অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনেই একটি সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব বলে সাধারণ মানুষের মধ্যে আস্থা তৈরি হয়েছে।”
রিজভী মনে করেন, একই দিনে জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট আয়োজন করলে খরচ কমবে এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমেও সুবিধা হবে। তবে তিনি বলেন, “গণভোটের প্রস্তাবনা যতই যুক্তিযুক্ত হোক না কেন, সেটি বাস্তবায়নের আগে স্পষ্টভাবে জানাতে হবে যে কোন কোন বিষয়ে জনমত নেওয়া হবে।”
দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, “যেকোনো উসকানিতে সংযম ও ধৈর্য ধারণ করতে হবে। শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি ও আইনত আন্দোলনের পথেই আমাদের এগোতে হবে।”
রিপোর্টার্স২৪/আরকে