| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

থাইল্যান্ডে সিনাওয়াত্রা পরিবারের দীর্ঘ প্রভাবের অবসান

reporter
  • আপডেট টাইম: অক্টোবর ২২, ২০২৫ ইং | ১২:২৪:৫৫:অপরাহ্ন  |  ১৩৮১৫৪৯ বার পঠিত
থাইল্যান্ডে সিনাওয়াত্রা পরিবারের দীর্ঘ প্রভাবের অবসান
ছবির ক্যাপশন: ছবি: সংগৃহীত

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক: থাইল্যান্ডের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক দল ফিউ থাই পার্টি’র নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়ালেন পেতংতার্ন সিনাওয়াত্রা। বুধবার (২২ অক্টোবর) দলটি থেকে পদত্যাগ করেছেন তিনি। মাত্র এক বছরেরও কম সময়ের জন্য প্রধানমন্ত্রী ছিলেন ৩৯ বছর বয়সি পেতংতার্ন। গত আগস্টে কম্বোডিয়ার সঙ্গে সীমান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির সময় নীতিগত লঙ্ঘনের অভিযোগে আদালতের আদেশে তাকে পদচ্যুত করা হয়।

বিশ্লেষকদের মতে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী থাকসিন সিনাওয়াত্রার কন্যা পেতংতার্নের এই সিদ্ধান্ত দেশটির রাজনীতিতে সিনাওয়াত্রা পরিবারের দীর্ঘ প্রভাবের অবসানের ইঙ্গিত। পেতংতার্নের পদত্যাগ পরিবারতন্ত্রের অবসানের সম্ভাব্য সূচকও বটে।


এএফপিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সুখোথাই থাম্মাথিরাত ওপেন ইউনিভার্সিটির রাজনৈতিক বিশ্লেষক ইউত্তাপর্ন ইসারাচাই বলেছেন, কে দলীয় নেতৃত্বে আছেন, সেটা বড় বিষয় নয়। ফিউ থাই দীর্ঘদিন ধরেই সিনাওয়াত্রা পরিবারের পরোক্ষ প্রভাবেই পরিচালিত হয়ে এসেছে এবং সম্ভবত তা চলতেও থাকবে। আদালতের বরখাস্তের পর দলকে আইনি জটিলতা থেকে রক্ষার কৌশল হিসেবেই পেতংতার্নের এই পদত্যাগ দেখা যেতে পারে।


ফিউ থাই পার্টি’র এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, পেতংতার্নের পদত্যাগ দলের জন্য একটি ‘সম্পূর্ণ সংস্কারে’  সুযোগ এনে দিয়েছে। সেখানে তার বক্তব্য উদ্ধৃত করে বলা হয়, ‘আমার পদত্যাগ দলটিকে আরও উন্নত ও শক্তিশালী করার সুযোগ দেবে, যাতে আমরা ভবিষ্যতের নির্বাচনে জয়ী হতে পারি।’


দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে সিনাওয়াত্রা পরিবার থাইল্যান্ডের রাজনীতি, বিশেষ করে ফিউ থাই পার্টির কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। তবে এই পরিবার বারবার সামরিক ও রাজতান্ত্রিক অভিজাতদের বিরোধিতার মুখে পড়েছে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী থাকসিন সিনাওয়াত্রা বর্তমানে দুর্নীতির অভিযোগে কারাদণ্ড ভোগ করছেন।


রিপোর্টার্স২৪/টিআই/এসসি

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪