| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’

reporter
  • আপডেট টাইম: নভেম্বর ২৪, ২০২৫ ইং | ০৭:৩৬:৪৩:পূর্বাহ্ন  |  ১২০৭৮০৯ বার পঠিত
রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’
ছবির ক্যাপশন: সংগৃহীত

স্টাফ রিপোর্টার: কোটা বৈষম্য, প্রশ্নফাঁস, পরীক্ষার ফল প্রকাশে অনিয়ম, নিয়োগ বাণিজ্য বন্ধ এবং নভেম্বরের মধ্যেই শিক্ষক নিয়োগের দাবিতে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি পালন করছে কোটা বিরোধী ঐক্যজোট, সাধারণ শিক্ষার্থী এবং সচেতন নাগরিক কমিটি।

সোমবার (২৪ নভেম্বর) সকালে জেলা পরিষদের মূল ফটকে তালা ঝুলিয়ে বিক্ষোভ সমাবেশ করেন বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থী ও নাগরিকরা।

এর আগে শনিবার রাতে আন্দোলনকারীরা অনির্দিষ্টকালের জন্য শাটডাউন ঘোষণা করেন। একই সঙ্গে তারা হুঁশিয়ারি দেন দাবি পূরণে ব্যর্থ হলে পরিষদের চেয়ারম্যান ও সব সদস্যকে বাধ্য করা হবে পদত্যাগে।

গত বৃহস্পতিবার এই দাবিতেই ৩৬ ঘণ্টার হরতাল ডাক দিয়েছিল কোটাবিরোধী আন্দোলনকারীরা। তবে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিতের ঘোষণা এলে ছয় দফা দাবি জানিয়ে তারা হরতাল প্রত্যাহার করে।

শনিবার দুপুরে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কাজল তালুকদার বিভিন্ন দপ্তরের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠক শেষে তিনি জানান,নিয়োগ প্রক্রিয়া জেলা পরিষদ আইন অনুযায়ী হবে নাকি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন অনুসারে হবে এ বিষয়ে জানতে পার্বত্য মন্ত্রণালয়ে পত্র পাঠানো হয়েছে।

তবে পরে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষার তারিখসহ বিভিন্ন বিষয়ে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ একক সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ফলে পরিষদের সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

পার্বত্য মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সরকার ঘোষিত কোটা পদ্ধতি পার্বত্য জেলাগুলোতে একইভাবে প্রযোজ্য হবে কিনা এ বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মতামত চাওয়া হলে তারা আইন, বিচার ও সংসদ মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ নিতে নির্দেশ দেয়। সেই অনুযায়ী মতামতের জন্য ইতোমধ্যে আইন মন্ত্রণালয়ে পত্র পাঠানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়,লিখিত পরীক্ষা স্থগিত, পুনরায়ী তারিখ ঘোষণা, আবার স্থগিত এসব সিদ্ধান্ত রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ এককভাবে নিয়েছে, যা পরিস্থিতিকে জটিল করেছে।

সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে জেলা পরিষদের ফটকে আয়োজিত কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন জনি, ইমরান রুবেল, ইফতেখার রুবেল, রাকিব হাসানসহ নেতৃবৃন্দ।

আন্দোলনকারীরা জানায়,রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের নিয়ন্ত্রণাধীন প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে দীর্ঘদিন ধরে বৈষম্যমূলক কোটা নীতি বজায় রাখা হচ্ছে, এতে মেধাবী প্রার্থীরা বঞ্চিত হচ্ছেন। তারা ৭% কোটা ও ৯৩% মেধাভিত্তিক নিয়োগ নিশ্চিতসহ ছয় দফা দাবি পুনর্ব্যক্ত করেন।

দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে: সর্বশেষ প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী ৯৩% মেধা ও ৭% কোটার ভিত্তিতে নিয়োগ নিশ্চিত করা,প্রশ্নফাঁসের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে কেন্দ্রীয়ভাবে প্রশ্ন প্রণয়ন,প্রশ্ন তৈরি শেষে জেলা প্রশাসকের তত্ত্বাবধানে সরকারি ট্রেজারিতে সংরক্ষণ,খাতা মূল্যায়ন জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে করানো,উপজেলা কোটা পৃথক প্রজ্ঞাপনে প্রকাশ,নিয়োগ–পরবর্তী সময়ে প্রার্থীদের রোল নম্বর, নাম ও ঠিকানা প্রকাশ বাধ্যতামূলক করা।

এ ছাড়া ফলাফলে বাঙালি ও তফসিলভুক্ত উপজাতীয় জনগোষ্ঠীর পৃথক তালিকা প্রকাশ এবং ১৯৮৯ সালের জেলা পরিষদ আইনে উপজাতীয় অগ্রাধিকার নীতি মানা হচ্ছে কি না এ বিষয়ে পরিষ্কার ব্যাখ্যা চেয়েছেন তারা।

রিপোর্টার্স২৪/এসসি

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪