স্টাফ রিপোর্টার, লালমনিরহাট: লালমনিরহাটের ৩টি আসনের ২৭ জন প্রার্থীর মধ্যে ৫ জনের মনোনয়ন বাতিল এবং ২ জনের মনোনয়ন অপেক্ষমান রেখেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।
শনিবার (৩ জানুয়ারি) নিজ কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের শুনানি শেষে এই তথ্য জানান রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক এইচ এম রকিব হায়দার।
জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, লালমনিরহাটের ৫টি উপজেলা ও ২টি পৌরসভা নিয়ে গঠিত ৩টি সংসদীয় আসনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ২৭ জন মনোনয়নপত্র জমা দেন। যাচাই-বাছাই শেষে প্রার্থী ও তাদের সমর্থকদের উপস্থিতিতে শুনানি গ্রহণ করা হয়।
জেলার ৩টি আসনের ২৭ জন প্রার্থীর মধ্যে ৫ জনের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। সামান্য ত্রুটির কারণে লালমনিরহাট-৩ (সদর) আসনের এবি পার্টির ফিরোজ কবির এবং লালমনিরহাট-১ আসনের লেবার পার্টির শুভ আহমেদ-এর মনোনয়ন অপেক্ষমান রাখা হয়েছে।
শুনানীতে লালমনিরহাট-১ আসনের আলোচিত স্বতন্ত্র প্রার্থী তুরস্ক প্রবাসী শিহাব আহমেদ-এর মনোনয়নপত্র অবৈধ ঘোষণা করে বাতিল করা হয়। স্বতন্ত্র প্রার্থী শিহাব আহমেদ দাখিল করা এক শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষরে গড়মিল থাকায় মনোনয়ন বাতিল করা হয়। এছাড়া এই আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী রেজাউল করিম, ডা. আবু সামা এবং খেলাফত মজলিশের আবুল কাসেম-এর মনোনয়নও বাতিল করা হয়েছে। লালমনিরহাট-২ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুর রহমান-এর মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।
লালমনিরহাটের ৩টি আসনের মনোনয়ন নিয়ে আলোচিত সাবেক প্রতিমন্ত্রী ও জাতীয় পার্টির লালমনিরহাট-১ আসনের প্রার্থী মশিউর রহমান রাঙ্গা-র মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। লালমনিরহাট-২ আসনে বৈধতা পেয়েছেন জনতার দলের চেয়ারম্যান অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগ্রেডিয়ার শামীম কামাল এবং লালমনিরহাট-৩ আসনের বিএনপি'র সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুল হাবিব দুলু।
রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক এইচ এম রকিব হায়দার বলেন, “যাচাই-বাছাই শেষে ৫টি মনোনয়ন বাতিল এবং সামান্য ত্রুটির কারণে ২টি মনোনয়ন অপেক্ষমান রাখা হয়েছে। তারা দ্রুত সময়ে সমস্যার সমাধান করলে বৈধতা পাবেন।”
রিপোর্টার্স২৪/ আয়েশা