রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক: দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শীতের তীব্রতা আরও বাড়ছে। বর্তমানে দেশের অন্তত ১০টি জেলার ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে, যা আরও কিছুদিন অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ ড. মো. ওমর ফারুকের স্বাক্ষরিত পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়। পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে আকাশ অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা থাকতে পারে এবং আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকবে। তবে মধ্যরাতের পর থেকে ভোর পর্যন্ত দেশের অধিকাংশ এলাকায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যা কোথাও কোথাও দুপুর পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।
ঘন কুয়াশার প্রভাবে বিমান চলাচল, অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন ও সড়ক যোগাযোগ সাময়িকভাবে বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছে আবহাওয়া অফিস।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, দিনাজপুর, নীলফামারী, পঞ্চগড়, রাঙামাটি, যশোর, চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়া জেলার ওপর দিয়ে বর্তমানে মৃদু থেকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতি আরও কিছুদিন বজায় থাকতে পারে। যদিও রাতের ও দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়ার সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছে, তবুও কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়ার কারণে শীতের অনুভূতি কমবে না।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায়ও সারা দেশে আংশিক মেঘলা আকাশ ও শুষ্ক আবহাওয়া বিরাজ করতে পারে। এ সময় মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের সর্বত্র মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়ার আশঙ্কা রয়েছে, যা কিছু এলাকায় দুপুর পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। এদিন রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকলেও দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।
এদিকে বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) ও শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) একই ধরনের আবহাওয়া অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। বিশেষ করে নদী অববাহিকা অঞ্চলে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। শুক্রবারের দিকে সারা দেশে রাত ও দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে বলেও পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে।
শনিবার (১০ জানুয়ারি) পর্যন্ত আবহাওয়ার বড় কোনো পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই। এদিনও সারা দেশে শুষ্ক আবহাওয়া বজায় থাকতে পারে এবং কুয়াশার দাপট অব্যাহত থাকতে পারে। রাত ও দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
সার্বিকভাবে আবহাওয়াবিদরা সতর্ক করে জানিয়েছেন, কুয়াশা ও শৈত্যপ্রবাহের কারণে সাধারণ মানুষকে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে, বিশেষ করে ভ্রমণ ও যোগাযোগ ব্যবস্থার ক্ষেত্রে।
রিপোর্টার্স২৪/ঝুম