| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

মেলান্দহের ভূমি সহকারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঘুস-দুর্নীতির পাহাড়

reporter
  • আপডেট টাইম: জানুয়ারী ১৪, ২০২৬ ইং | ১৫:১৭:২৫:অপরাহ্ন  |  ৯৭২২১০ বার পঠিত
মেলান্দহের ভূমি সহকারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঘুস-দুর্নীতির পাহাড়

জামালপুর প্রতিনিধি : জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলার দুরমুঠ ইউনিয়ন ভূমি অফিসের ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মো. আলাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে জমির নামজারিতে অতিরিক্ত টাকা আদায়, ভূমি মালিকদের হয়রানিসহ নানা অভিযোগের পাহাড় জমেছে।

অভিযোগের প্রেক্ষিতে মঙ্গলবার (১২ জানুয়ারি) সরেজমিনে জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলার ইউনিয়ন ভূমি অফিসে গিয়ে ঘুষ ও দুর্নীতির প্রমাণ এবং গ্রাহকদের হয়রানির সত্যতা পাওয়া গেছে। তবে অভিযুক্ত কর্মকর্তা মো. আলাল উদ্দিন প্রশিক্ষণে থাকায় তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ভুক্তভোগীদের লিখিত অভিযোগে জানা যায়, জমি নামজারির জন্য সরকার নির্ধারিত ফি ১ হাজার ১৭০ টাকার পরিবর্তে ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মো. আলাল উদ্দিন বিভিন্ন অজুহাতে ১৫ হাজার টাকা থেকে ৬০ হাজার টাকা পর্যন্ত আদায় করছেন।

ভুক্তভোগী আ. মালেক, আ. রাজ্জাক, মো. রেজাউল করিম, মো. আক্তারুজ্জামান, জাহিদুল্লাহ ও মো. আলী হোসেন জানান, তারা জামালপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক বরাবর দুর্নীতির অভিযোগ দিয়েছেন। একই সঙ্গে মেলান্দহ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, সহকারী কমিশনার (ভূমি)সহ বিভিন্ন দপ্তরে অনুলিপি দেওয়া হলেও এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

ভুক্তভোগী রেজাউল করিম বলেন, ‘আমি একটি জমির নামজারি করতে ৪০ হাজার টাকা দিয়েছি। ছয় মাস ধরে ঘুরাচ্ছে।’

আলী হোসেন বলেন, ‘আমি ৬০ হাজার টাকা দিয়েছি, কিন্তু মাসের পর মাস ঘুরছি। বাধ্য হয়ে জামালপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক, মেলান্দহ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবর আবেদন করেছি।’

এ বিষয়ে মেলান্দহ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহমুদা আক্তার জ্যোতির মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

পরে মেলান্দহ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিন্নাতুল আরার সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘আমি একটি অনুলিপি পেয়েছি এবং ওই ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সহকারী ভূমি কর্মকর্তা আলাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির বিষয়ে মৌখিকভাবে সতর্ক করা হয়েছে। পাশাপাশি সরকারি বিধি মোতাবেক সরকার নির্ধারিত ফি ও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নামজারিসহ সরকারি কাজ সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, আবেদনটি যেহেতু অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক বরাবর করা হয়েছে, সেহেতু জেলা প্রশাসন বিষয়টি তদন্ত করে বিভাগীয় ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

উল্লেখ্য, এর আগেও ওই কর্মকর্তা দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার হাতীভাঙ্গা ইউনিয়ন ভূমি অফিসে কর্মরত থাকাকালে ভূমিহীনদের ঘর দেওয়ার নামে অসহায় মানুষের কাছ থেকে ৩০ হাজার টাকা করে কয়েক লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ ওঠে। সে সময় হাতীভাঙ্গা এলাকার ভুক্তভোগীরা তাকে কয়েক ঘণ্টা আটকে রাখেন। পরে দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন তাকে উদ্ধার করে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে।

রিপোর্টার্স২৪/এসএন

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪