ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক: বাবা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুর পর ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির নিরাপত্তার দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয়েছে দেশটির সবচেয়ে দুর্ধর্ষ ও চৌকস কমান্ডো ইউনিট ‘নোপো’-এর ওপর। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন-ইসরায়েলি যৌথ হামলায় আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর থেকে ৫৬ বছর বয়সী মোজতবা আর জনসম্মুখে আসেননি।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, বাবার ওপর চালানো ওই হামলায় মোজতবা নিজেও গুরুতর আহত হন এবং বর্তমানে তিনি অত্যন্ত সুরক্ষিত একটি স্থানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তবে ইরান সরকার এসব দাবি প্রত্যাখ্যান করে জানিয়েছে, নতুন সর্বোচ্চ নেতা পুরোপুরি সুস্থ ও নিরাপদ আছে।
বিশ্লেষকদের মতে, নোপো ইউনিটকে দায়িত্ব দেওয়ার মাধ্যমে মোজতবার নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। এই ইউনিট ইরানের সবচেয়ে প্রশিক্ষিত ও দক্ষ কমান্ডো বাহিনী হিসেবে পরিচিত, যা সাধারণত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল দায়িত্ব পালন করে থাকে।
ইরানের বিশেষায়িত এই ‘ব্ল্যাক-ক্ল্যাড’ (কালো পোশাকধারী) বাহিনীটি মূলত ১৯৯১ সালে গঠিত হয়। আনুষ্ঠানিকভাবে এটি জিম্মি উদ্ধার এবং সন্ত্রাসবাদ দমনের কাজে নিয়োজিত থাকলেও বাস্তবে এই বাহিনীটি সর্বোচ্চ নেতার ব্যক্তিগত ঢাল হিসেবে কাজ করে।
বিশ্লেষকদের মতে, নোপো বাহিনী ইরানের সাধারণ পুলিশ বা ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) চেয়েও অনেক বেশি প্রশিক্ষিত, নিষ্ঠুর এবং সরাসরি সর্বোচ্চ নেতার প্রতি অনুগত।
রিপোর্টার্স২৪/ধ্রুব