আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইরান যুদ্ধের প্রভাবে সম্ভাব্য জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় বাংলাদেশের কাছ থেকে বাড়তি ডিজেল সরবরাহের অনুরোধ ভারত বর্তমানে বিবেচনা করছে। বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান।
বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের সাংবাদিক আর্চিস মোহন জানতে চান, চলমান যুদ্ধ-সংঘাতের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ বা নেপালের মতো ছোট প্রতিবেশী দেশ তাদের নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত বা জ্বালানি সরবরাহের জন্য কোনো অনুরোধ করেছে কি না। জয়সওয়াল জানান, ভারত পরিশোধিত পেট্রোলিয়াম পণ্যের বড় রপ্তানিকারক দেশ, বিশেষ করে প্রতিবেশী দেশগুলোর ক্ষেত্রে। বাংলাদেশ সরকার ডিজেল সরবরাহ বাড়ানোর একটি অনুরোধ করেছে, যা বর্তমানে বিবেচনা করা হচ্ছে। এর মধ্যে ভারতের পরিশোধন সক্ষমতা, অভ্যন্তরীণ চাহিদা এবং ডিজেলের প্রাপ্যতা বিবেচনায় নেওয়া হবে।
মুখপাত্র আরও বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক জনমুখী ও উন্নয়নমুখী। সেই ধারাবাহিকতায় ২০০৭ সাল থেকে নৌপথ, রেলপথ এবং ভারত–বাংলাদেশ মৈত্রী পাইপলাইনের মাধ্যমে নুমালিগড় রিফাইনারি থেকে বাংলাদেশে ডিজেল সরবরাহ করা হচ্ছে। ২০১৭ সালের অক্টোবর মাসে নুমালিগড় রিফাইনারি ও বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের মধ্যে ডিজেল সরবরাহ বাড়ানোর জন্য একটি চুক্তিও হয়।
জয়সওয়াল উল্লেখ করেন, শুধু বাংলাদেশ নয়, শ্রীলঙ্কা ও মালদ্বীপসহ আরও কয়েকটি দেশ থেকেও অতিরিক্ত ডিজেল সরবরাহের অনুরোধ এসেছে।
একই ব্রিফিংয়ে সাংবাদিক গৌতম লাহিরি জানতে চান, পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ শনিবার রাতে ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরীফ ওসমান হাদি হত্যার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ও সহযোগী আলমগীর হোসেন গ্রেপ্তার করার পর তাদের বাংলাদেশে হস্তান্তর বিষয়ে নয়াদিল্লির অবস্থান কী। জয়সওয়াল জানান, বিষয়টি বর্তমানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তদন্ত করছে, তাই তিনি এ বিষয়ে মন্তব্য করতে পারছেন না।