স্টাফ রিপোর্টার: কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলায় ভুয়া গ্রেপ্তারি পরোয়ানার ভিত্তিতে এক সাংবাদিককে আটক করার ঘটনা ঘটেছে। প্রায় ১৮ ঘণ্টা আটক থাকার পর আদালতের নির্দেশে মুক্তি পান তিনি। এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনার ঝড় উঠেছে।
ভুক্তভোগী সোহরাব হোসেন স্থানীয় দৈনিক প্রতিদিনের কাগজের দেবিদ্বার প্রতিনিধি। জানা যায়, সোমবার (৬ এপ্রিল) বিকেলে দেবিদ্বার থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ভবতোষ কান্তি দে’র নেতৃত্বে পুলিশ একটি মামলার গ্রেপ্তারি পরোয়ানা দেখিয়ে তাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। এ সময় তিনি ওয়ারেন্টের বিষয়ে জানতে চাইলেও পুলিশ তা আমলে নেয়নি।
পরদিন মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তাকে কুমিল্লার আদালতে পাঠানো হলে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সায়মা শরীফ নিশাত তার মুক্তির নির্দেশ দেন। আদালত জানায়, যে পরোয়ানার ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল, সেটি সঠিক ছিল না।
সোহরাব হোসেন অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে একটি জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে তাকে মিথ্যা মামলায় হয়রানি করা হচ্ছে। তিনি বলেন, আমি আগে থেকেই জামিনে ছিলাম। তা সত্ত্বেও আমাকে গ্রেপ্তার করে ১৮ ঘণ্টা আটক রাখা হয়। এতে আমার সম্মানহানি হয়েছে। তিনি এ ঘটনায় বিচার চেয়ে আদালতে লিখিত অভিযোগ দায়েরের প্রস্তুতির কথাও জানান।
অভিযোগের বিষয়ে এসআই ভবতোষ কান্তি দে বলেন, আদালত থেকে পাঠানো পরোয়ানার ভিত্তিতেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে তাৎক্ষণিকভাবে পরোয়ানার সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি। পরে আদালতে নেওয়ার পর জানা যায়, পরোয়ানাটি ভুল ছিল।
এ বিষয়ে আদালতের পেশকার মো. জসিম উদ্দিন জানান, পরোয়ানাটি ভুলবশত থানায় পৌঁছে গিয়েছিল। বিষয়টি অনাকাঙ্ক্ষিত উল্লেখ করে তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন।
রিপোর্টার্স২৪/এসসি