| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

প্রকাশ্যে চাঞ্চল্যকর নথি

যৌন অপরাধী এপস্টেইন–হার্ভার্ড সম্পর্ক নিয়ে নতুন বিতর্ক

reporter
  • আপডেট টাইম: এপ্রিল ২০, ২০২৬ ইং | ২১:২০:৪৫:অপরাহ্ন  |  ৮৬০ বার পঠিত
যৌন অপরাধী এপস্টেইন–হার্ভার্ড সম্পর্ক নিয়ে নতুন বিতর্ক
ছবির ক্যাপশন: সংগৃহীত

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক: যৌন অপরাধে দণ্ডপ্রাপ্ত মার্কিন ধনকুবের জেফরি এপস্টাইন-এর সঙ্গে বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের দীর্ঘদিনের সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগের সদ্য প্রকাশিত নথি পর্যালোচনায় দেখা গেছে, কারাগার থেকে মুক্তির পরও হার্ভার্ডের কিছু অধ্যাপক তার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ বজায় রেখেছিলেন।

নিউ ইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এপস্টেইন প্রায় দুই দশক ধরে হার্ভার্ডের সঙ্গে এমন একটি সম্পর্ক গড়ে তুলেছিলেন, যা তাকে একাডেমিক স্বীকৃতি না পেলেও বুদ্ধিবৃত্তিক পরিমণ্ডলে প্রভাব বিস্তার ও সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা এনে দেয়।

২০০৯ সালে ফ্লোরিডার পাম বিচ কাউন্টি কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার পর এপস্টেইন হার্ভার্ডের অধ্যাপক স্টিফেন কসলিনকে ইমেইলে নিজের মুক্তির খবর জানান। পরবর্তীতে তিনি হার্ভার্ডের সাবেক প্রেসিডেন্ট ও যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক অর্থমন্ত্রী লরেন্স সামারসের সঙ্গেও যোগাযোগের চেষ্টা করেন।

নথিতে আরও উঠে এসেছে, যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত হওয়ার পরও বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু শিক্ষক তার সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন, তাকে দেখতে যান এবং বিভিন্ন একাডেমিক কাজেও তার নাম যুক্ত করেন।

এপস্টেইন হার্ভার্ডকে মোট ৯.২ মিলিয়ন ডলার অনুদান দেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে তিনি একটি ভিজিটিং ফেলোশিপ পান, যদিও তার প্রয়োজনীয় একাডেমিক যোগ্যতা ছিল না। বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষণা কর্মসূচিতে তার নামে একটি কক্ষও বরাদ্দ করা হয়, যা “জেফ্রির অফিস” নামে পরিচিত ছিল।

২০১০ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে তিনি প্রায় ৪০ বার ওই কক্ষে যান বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া গণিতবিদ মার্টিন নোভাক তার নাম হার্ভার্ডের ওয়েবসাইটে যুক্ত করতে সহায়তা করেছিলেন বলেও নথিতে বলা হয়েছে।

২০১৯ সালে এপস্টেইনের মৃত্যুর পর হার্ভার্ড একটি অভ্যন্তরীণ তদন্ত চালায়। এতে প্রায় ৪০ জনের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয় এবং বিপুল পরিমাণ নথি পর্যালোচনা করা হয়। তদন্ত শেষে মার্টিন নাওয়াকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হলেও লরেন্স সামার্সকে তুলনামূলকভাবে কম গুরুত্ব দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে হার্ভার্ডের আইন বিভাগের অধ্যাপক লরেন্স লেসিগ সমালোচনা করে বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বিষয়টির গুরুত্ব কমিয়ে দেখাতে চেয়েছে।”

বর্তমানে নতুন করে প্রকাশিত লাখ লাখ নথি পর্যালোচনা করছে হার্ভার্ড। ইতোমধ্যে সামার্স পদত্যাগ করেছেন এবং নাওয়াককে ছুটিতে পাঠানো হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় জানিয়েছে, প্রয়োজন হলে আরও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিশ্লেষকদের মতে, এপস্টেইনের সঙ্গে হার্ভার্ডের সম্পর্কের বিষয়টি শুধু আইনি নয়, বরং নৈতিক প্রশ্নও সামনে নিয়ে এসেছে। নতুন নথি প্রকাশের পর বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক আরও জোরালো হয়েছে। ndtv

রিপোর্টার্স২৪/এসসি

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪