| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

যুদ্ধবিরতির সময়সীমা শেষ, আলোচনা নিয়ে অনিশ্চয়তা

reporter
  • আপডেট টাইম: এপ্রিল ২১, ২০২৬ ইং | ০১:০১:৪২:পূর্বাহ্ন  |  ২৪৩৭ বার পঠিত
যুদ্ধবিরতির  সময়সীমা শেষ, আলোচনা নিয়ে অনিশ্চয়তা
ছবির ক্যাপশন: সংগৃহীত

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক: ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্ভাব্য শান্তি আলোচনা নিয়ে অনিশ্চয়তা বাড়ছে, কারণ দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির সময়সীমা শেষ হওয়ার পথে। রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, পাকিস্তানে অনুষ্ঠিতব্য সম্ভাব্য আলোচনায় অংশ নেওয়ার বিষয়টি ইরান ‘ইতিবাচকভাবে বিবেচনা’ করছে বলে জানিয়েছেন দেশটির এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। তবে এখনো এ বিষয়ে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

এদিকে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ইতোমধ্যে ইসলামাবাদের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন,এমন খবর নাকচ করে একটি সূত্র জানিয়েছে, তিনি এখনো যুক্তরাষ্ট্রেই অবস্থান করছেন। ফলে আলোচনার প্রস্তুতি নিয়েও বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে।

ইরানের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দেশটির ওপর যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত বন্দর অবরোধ আলোচনা পুনরায় শুরু করার পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। মধ্যস্থতাকারী পাকিস্তান এই অবরোধ প্রত্যাহারে কাজ করছে বলে জানিয়েছে তেহরান।

পাকিস্তানের একটি নিরাপত্তা সূত্র জানিয়েছে, দেশটির সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল অসীম মুনির মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে অবরোধকে আলোচনার প্রধান প্রতিবন্ধক হিসেবে তুলে ধরেছেন। ট্রাম্প বিষয়টি বিবেচনার আশ্বাস দিয়েছেন বলেও দাবি করা হয়েছে।

গত ৭ এপ্রিল ট্রাম্প দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেন, যার মেয়াদ এই সপ্তাহেই শেষ হওয়ার কথা। তবে এর সুনির্দিষ্ট সময় সম্পর্কে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি। একটি সূত্র জানিয়েছে, বুধবার রাতে (যুক্তরাষ্ট্র সময়) এ যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হতে পারে।

যুদ্ধবিরতির মধ্যে উত্তেজনা আরও বেড়েছে। যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, অবরোধ অমান্য করার চেষ্টা করায় তারা একটি ইরানি পণ্যবাহী জাহাজ জব্দ করেছে। জবাবে ইরান একে ‘সশস্ত্র জলদস্যুতা’ আখ্যা দিয়ে পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকি দিয়েছে।

এদিকে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেছেন, মার্কিন কর্মকর্তাদের ‘বিরোধপূর্ণ ও অগঠনমূলক’ বার্তা ইঙ্গিত দেয় যে তারা ইরানের আত্মসমর্পণ চায়। তিনি বলেন, ইরানিরা শক্তির কাছে নতি স্বীকার করে না।

পারস্য উপসাগরের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচলও প্রায় স্থবির হয়ে পড়েছে, যা বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের জন্য বড় ঝুঁকি তৈরি করেছে। এই পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম প্রায় ৫ শতাংশ বেড়েছে।

সম্ভাব্য আলোচনা ঘিরে ইসলামাবাদে ব্যাপক নিরাপত্তা প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। প্রায় ২০ হাজার নিরাপত্তা সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে রাজধানীজুড়ে। তবে শেষ পর্যন্ত আলোচনা আদৌ হবে কি না, তা এখনো অনিশ্চিত রয়ে গেছে।

রিপোর্টার্স২৪/এসসি

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪