| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

‘ড. ইউনূসের প্রেস উইং থেকে মানুষকে হুমকি দেওয়া হতো’

reporter
  • আপডেট টাইম: মে ০৬, ২০২৬ ইং | ১৭:১৭:২২:অপরাহ্ন  |  ৬৯২ বার পঠিত
‘ড. ইউনূসের প্রেস উইং থেকে মানুষকে হুমকি দেওয়া হতো’

রিপোর্টার্স ডেস্ক: বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের প্রেস উইং থেকে বিভিন্ন মানুষকে হুমকি দেওয়া হতো বলে অভিযোগ করেছেন সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের। গণ-অভ্যুত্থানে বর্তমান সরকারি দল বিএনপির সংশ্লিষ্টতা খাটো করার একটা প্রবণতা তাদের মধ্যে কাজ করত বলেও দাবি তার।

বুধবার (৬ মে) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এমনটা দাবি করেন সায়ের। পোস্টের সঙ্গে প্রমাণ হিসেবে বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের উপ-প্রেসসচিব আজাদ মজুমদারের কথোপথনের একটি অডিও সংযুক্ত করেন।

ফেসবুক পোস্টে সাংবাদিক সায়ের বলেন, ‘বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রেস উইং থেকে দেশ-বিদেশের নানা মানুষকে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে হুমকি দেওয়া হতো এবং বর্তমান সরকারি দল বিএনপির গণ-অভ্যুত্থানে সংশ্লিষ্টতা খাটো করার একটা প্রবণতা তাদের মধ্যে কাজ করত। যার একটি প্রমাণ আজ তুলে ধরছি।’

তিনি দাবি করেন, কলকাতায় বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশনের প্রেসসচিব তারিক চয়ন এবং সাবেক প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেসসচিব আজাদ মজুমদারের কথোপকথনের এই রেকর্ডটি ২০২৫ সালের ১৯ জুলাই ধারণ করা। তার ঠিক এক বছর আগে ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই (গণ-অভ্যুথান চলাকালীন) তারিক চয়ন আন্তর্জাতিক এক মানবাধিকারকর্মীর কাছে ঢাকা শহরের বিভিন্ন জায়গায় বিএনপি-আওয়ামী লীগ সংঘর্ষের খবর এসএমএসের মাধ্যমে (তখন ইন্টারনেট বন্ধ ছিল) প্রেরণ করেছিলেন।


২০২৫ সালের ১৯ জুলাই তারিক চয়ন সেই এসএমএস গুলোর স্ক্রিনশট নিজ ফেসবুক অ্যাকাউন্টে পোস্ট করে স্মৃতিচারণা করেছিলেন। তারিক এই পোস্টটি করার কিছুক্ষণের মধ্যেই বিএনপি ঠেকাতে মরিয়া আজাদ মজুমদার বেশ ক্ষিপ্ত হয়ে তারিক চয়নকে ফোন করে এক পর্যায়ে বলেন, ‘আপনি যে ফেসবুকে লিখলেন বিএনপি-আওয়ামী লীগ সংঘর্ষ! এটা তো বিএনপির আন্দোলন ছিল না।’

জুলকারনাইন সায়ের বলেন, ‘আলাপের রেকর্ডটি হাতে আসার পর এ বিষয়ে তারিক চয়নের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি প্রথমে কিছু বলতে ইতস্তত বোধ করেন। তবে এক পর্যায়ে বিষয়টি স্বীকার করে জানান, এটিই প্রথম নয়।

এর আগের মাসে (২০২৫ সালের ২২ জুন রাতে) তিনি বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য (বর্তমান অর্থমন্ত্রী) আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সঙ্গে নিজের একটি ছবি ফেসবুকে পোস্ট করলে পরদিন (২৩ জুন) সকালেই আজাদ মজুমদারের ফোন আসে। তিনি এ বিষয়ে জবাবদিহি চান যে কেন গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে গঠিত একটি সরকারের চাকরি করে তারিক চয়ন বিএনপি নেতার সঙ্গে ছবি পোস্ট করেছেন। তখন তারিক চয়ন তার কাছে পাল্টা জানতে চান, ‘আপনি যেই গণ-অভ্যুত্থানের কথা বলছেন সেই গণ-অভ্যুত্থানে কি বিএনপি অংশ নেয়নি? আমি নিজেও তো অংশ নিয়েছি সাংবাদিক হিসেবে, মানবাধিকারকর্মী হিসেবে, ছাত্রদলের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা হিসেবে।’ এই প্রশ্নের কোনো সদুত্তর না দিতে পেরে আজাদ মজুমদার রাগে গড়গড় করতে থাকেন।

তারিক চয়ন জানান, আমির খসরুর সঙ্গে ওই ছবিটি ডিলিট না করার কারণে তাকে পরবর্তীতে বড় ধরনের মাসুল দিতে হয়েছিল।

কলকাতায় ডেপুটি হাইকমিশনের অসাধু অফিসারদের ঢাকার প্রেস উইং থেকে অলিখিতভাবে নির্দেশ দেওয়া হয় যেন তারিক চয়নকে সব কাজে অসহযোগিতা করে ব্যাপক চাপে রাখা হয়।

রিপোর্টার্স/এসএন

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪