স্টাফ রিপোর্টার: পবিত্র ঈদুল আজহা ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে রাজধানীর গাবতলী পশুর হাটে জমে উঠেছে কোরবানির পশুর বেচাকেনা। ছোট-বড় ও মাঝারি আকারের গরু উঠলেও ক্রেতা ও দর্শনার্থীদের দৃষ্টি কেড়েছে ‘কালো জামাই’ নামের একটি বিশাল আকৃতির ষাঁড়।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা থেকে আনা হলস্টেইন ফ্রিজিয়ান জাতের কালো রঙের এ গরুটি নিয়ে হাটে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। একই খামারের আরেকটি গরু ‘সাদা জামাই’ নামেও পরিচিত।
গরু দুটির মালিক সিডনি প্রবাসী ইয়াকুব জানান, তার খামারের ছয়টি গরু গাবতলীতে আনা হয়েছে। এর মধ্যে ‘সাদা জামাই’-এর দাম ৪৫ লাখ এবং ‘কালো জামাই’-এর দাম ৫৫ লাখ টাকা হাঁকা হয়েছে। গরুগুলোর বয়স যথাক্রমে চার বছর ও সাড়ে চার বছর।
তিনি বলেন, ক্রেতাদের আগ্রহ ও প্রস্তাব অনুযায়ী চূড়ান্ত দাম নির্ধারণ করা হবে।
সরেজমিনে দেখা যায়, বড় আকারের গরুগুলোর জন্য আলাদা সামিয়ানা ও ফ্যানের ব্যবস্থা করা হয়েছে, যাতে তীব্র গরমে পশুগুলো হিটস্ট্রোকে আক্রান্ত না হয়।
এদিকে, হাটে আসা ক্রেতা ইয়ামিন বন্ধুদের নিয়ে কোরবানির গরু কিনতে এসে ‘সাদা জামাই’ ও ‘কালো জামাই’কে ঘিরে আলোচনায় মেতে ওঠেন।
অন্যদিকে, পাবনার ফরিদপুর থেকে ১৪টি গরু নিয়ে আসা মোহাম্মদ মাজেদুল হক জানান, তাদের মধ্যে ১২০০ কেজি ওজনের ‘লালচাঁদ’ নামের গরুটির দাম ১৯ লাখ টাকা চাওয়া হয়েছে, যা ১৪ লাখ টাকায় বিক্রির আশা করছেন তিনি।
গাবতলীর হাটে ‘কালো জামাই’ ও ‘সাদা জামাই’কে ঘিরে ক্রেতা-দর্শনার্থীদের ভিড় ও আগ্রহ চোখে পড়ার মতো।
রিপোর্টার্স২৪/বাবি