| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

মিয়ানমারের বিদ্রোহী-নিয়ন্ত্রিত গ্রামে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত অন্তত ৫৫

reporter
  • আপডেট টাইম: জুন ০১, ২০২৬ ইং | ২১:৫৪:২৪:অপরাহ্ন  |  ১৫৬ বার পঠিত
মিয়ানমারের বিদ্রোহী-নিয়ন্ত্রিত গ্রামে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত অন্তত ৫৫

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক: মিয়ানমারের শান রাজ্যের একটি বিদ্রোহী-নিয়ন্ত্রিত গ্রামে ভয়াবহ বিস্ফোরণে অন্তত ৫৫ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও বহু মানুষ আহত হয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে।

রোববার (১ জুন) দুপুরে চীনের সীমান্তবর্তী নামখাম টাউনশিপের কাউং তাত গ্রামে এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে ২৫ জন নারী ও ৩০ জন পুরুষ রয়েছেন। তবে বিভিন্ন সূত্রে হতাহতের সংখ্যা কিছুটা ভিন্নভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।

জান্তা সরকারের বিরুদ্ধে লড়াইরত বিদ্রোহী গোষ্ঠী টা’আং ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মি (টিএনএলএ) জানিয়েছে, খনন ও পাথর উত্তোলনের কাজে ব্যবহৃত বিস্ফোরক থেকে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। সংগঠনটি ঘটনাটিকে ‘দুর্ঘটনাবশত বিস্ফোরণ’ হিসেবে বর্ণনা করেছে।

বিস্ফোরণের পর আকাশে বিশাল ধোঁয়ার কুণ্ডলী দেখা যায়। ঘটনাস্থলের বিভিন্ন ছবিতে বড় গর্ত, ধ্বংসস্তূপ, বিধ্বস্ত ঘরবাড়ি এবং পুড়ে যাওয়া গাছপালার চিত্র উঠে এসেছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য অনুযায়ী, বিস্ফোরণের পর পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই প্রথমে এটিকে বিমান হামলা বলে মনে করেছিলেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক বাসিন্দা জানান, বিস্ফোরণে তার বাড়ি সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে এবং তিনি অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পেয়েছেন। তার দাবি, এ ঘটনায় কয়েকজন শিশুও নিহত হয়েছে এবং শত শত ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিস্ফোরণের প্রভাবে প্রায় পুরো একটি এলাকা ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।

তিনি লিখেছেন, “আমি ভাগ্যক্রমে বেঁচে গেছি। ঘরে বসে নুডলস খাচ্ছিলাম এবং ফোন দেখছিলাম। যদি রান্নাঘরে থাকতাম, হয়তো আর বেঁচে ফিরতে পারতাম না।”

ওই বাসিন্দা আরও জানান, বিস্ফোরণে তার একটি পায়ে সামান্য আঘাত লেগেছে। ঘটনার পর এলাকায় শোক ও আতঙ্কের পরিবেশ সৃষ্টি হয়। মানুষজন চিৎকার করে স্বজনদের খুঁজছিলেন এবং চারদিকে বিভীষিকাময় পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

বিস্ফোরক সংরক্ষণের স্থাপনা কীভাবে আবাসিক এলাকার এত কাছে পরিচালিত হচ্ছিল, সে প্রশ্নও তুলেছেন স্থানীয়রা। তাদের দাবি, ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত এবং দায়ীদের জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে।

উল্লেখ্য, টিএনএলএ মিয়ানমারের জান্তা-বিরোধী শক্তিশালী জাতিগত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর একটি। দেশটির বিভিন্ন বিদ্রোহী গোষ্ঠী খনিজ সম্পদ আহরণ থেকে অর্থ সংগ্রহ করে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। দুর্বল নিরাপত্তা ব্যবস্থার কারণে এসব এলাকায় খনি দুর্ঘটনা ও বিস্ফোরণের ঘটনা প্রায়ই ঘটে বলে জানিয়েছে এএফপি। সূত্র: বিবিসি

রিপোর্টার্স২৪/ধ্রুব

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪