| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

পাসপোর্ট অফিসে দালালের দৌরাত্ম্য, শেষ কবে?

reporter
  • আপডেট টাইম: জুন ০৩, ২০২৬ ইং | ০৮:০৭:২৫:পূর্বাহ্ন  |  ১৬০ বার পঠিত
পাসপোর্ট অফিসে দালালের দৌরাত্ম্য, শেষ কবে?

মাদারীপুর প্রতিনিধি: কাগজপত্র ঠিক থাকলেও নানা অজুহাতে দিনের পর দিন পাসপোর্ট না পেয়ে ভোগান্তিতে পড়ছেন সেবাপ্রত্যাশীরা। তবে দালালদের দেওয়া বিশেষ ‘সাংকেতিক চিহ্ন’ থাকলে দ্রুতই পাসপোর্ট প্রস্তুত হয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে মাদারীপুর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের বিরুদ্ধে।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, নির্ধারিত সরকারি ফি ছাড়াও অতিরিক্ত টাকা দিলে দালালদের মাধ্যমে সহজেই আবেদন জমা দেওয়া ও দ্রুত পাসপোর্ট পাওয়া সম্ভব হয়। এ জন্য আবেদনপ্রতি এক হাজার ২০০ থেকে তিন হাজার টাকা পর্যন্ত বাড়তি অর্থ গুনতে হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ২০২০ সালে চালু হওয়া মাদারীপুর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসটি জেলার বিপুল সংখ্যক প্রবাসীগামী মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হলেও দীর্ঘদিন ধরেই অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। অফিসের আশপাশে গড়ে ওঠা বিভিন্ন কম্পিউটার ও ফটোকপির দোকানকে কেন্দ্র করে সক্রিয় রয়েছে দালাল চক্র।

সম্প্রতি সরেজমিনে দেখা যায়, অফিসের সীমানা ঘেঁষে থাকা এসব দোকানে দালালদের আনাগোনা। পাসপোর্ট করতে আসা লোকজনকে ঘিরে ধরে তারা কাগজপত্রে সমস্যা রয়েছে বলে জানায় এবং বাড়তি টাকার বিনিময়ে দ্রুত কাজ করে দেওয়ার আশ্বাস দেয়।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, দালালদের সঙ্গে আর্থিক চুক্তি হওয়ার পর আবেদনপত্রে বিশেষ ধরনের কোড বা সাংকেতিক চিহ্ন দেওয়া হয়। পরে ওই চিহ্ন দেখে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা দ্রুত ফাইল নিষ্পত্তি করেন।

শহিদুল আলম জানান, দালালের মাধ্যমে আবেদন করায় তিনি দ্রুত পাসপোর্ট পেয়েছেন। আবেদন জমার সময় জাতীয় পরিচয়পত্র ছাড়া অন্য কোনো কাগজপত্রও লাগেনি।

এক নারী আবেদনকারী ফয়সাল অভিযোগ করেন, নিজে আবেদন জমা দিতে গেলে নানা প্রশ্ন ও জটিলতার মুখে পড়তে হয়। পরে দালালের সঙ্গে আড়াই হাজার টাকার চুক্তি করার পর আবেদনপত্রে একটি কোড লিখে দেওয়া হয় এবং সহজেই তার আবেদন গ্রহণ করা হয়।

মাদারীপুর সদর উপজেলার বাসিন্দা জিসান তালুকদার অভিযোগ করেন, তার আবেদন গ্রহণ না করে এক আনসার সদস্য সহযোগিতার নামে এক হাজার ৩০০ টাকা দাবি করেন।

এ বিষয়ে সচেতন নাগরিক লিটন শেখ বলেন, পাসপোর্ট অফিসে অনিয়ম ও হয়রানি নতুন কিছু নয়। অতীতেও এ নিয়ে নানা প্রতিবাদ হয়েছে, কিন্তু পরিস্থিতির তেমন পরিবর্তন হয়নি।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে মাদারীপুর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের সহকারী পরিচালক (এডি) হেলাল উদ্দিন বলেন, তার অফিসে শতভাগ আবেদন গ্রহণ করা হয় এবং কোনো আবেদন ফেরত দেওয়া হয় না। আবেদনপত্রে ‘সাংকেতিক চিহ্ন’ ব্যবহারের অভিযোগও তিনি ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন।

রিপোর্টার্স২৪/বাবি

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪