স্পোর্টস ডেস্ক: ব্যাটিংয়ে শুরুটা ছিল হতাশার। টপ অর্ডারের ব্যর্থতায় বড় সংগ্রহ গড়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ হয়ে পড়েছিল বাংলাদেশের। অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি একপ্রান্ত আগলে রাখলেও অন্যপ্রান্তে চলছিল নিয়মিত উইকেট পতন। একসময় একশ রানের গণ্ডি পার হওয়াও কঠিন মনে হচ্ছিল। তবে সাত নম্বরে নেমে স্বর্ণা আক্তারের ঝোড়ো ইনিংসে শেষ পর্যন্ত লড়াই করার মতো পুঁজি পায় টাইগ্রেসরা।
শনিবার সাউদাম্পটনে অনুষ্ঠিত ম্যাচে টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১২৩ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৯ রান করেন স্বর্ণা আক্তার। মাত্র ২২ বলে খেলা তার ইনিংসে ছিল একাধিক দৃষ্টিনন্দন বাউন্ডারি, যা শেষ দিকে দলের রান তোলার গতি বাড়িয়ে দেয়। অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতিও দায়িত্বশীল ব্যাটিং করে ইনিংসকে এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন।
১২৪ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই চাপে পড়ে পাকিস্তান। বাংলাদেশের বোলাররা নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে প্রতিপক্ষকে বড় শট খেলার সুযোগ দেননি। বিশেষ করে মাঝের ওভারগুলোতে স্পিনারদের আঁটসাঁট বোলিং ও একের পর এক ডট বল পাকিস্তানের ব্যাটারদের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করে। প্রয়োজনীয় রানরেট বাড়তে থাকলেও সেই চাপ সামাল দিতে পারেনি পাকিস্তান।
শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১০০ রান সংগ্রহ করে পাকিস্তান। তাতে ২৩ রানের দারুণ এক জয় তুলে নেয় বাংলাদেশ।
চলতি আসরে এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় জয়। একই সঙ্গে নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো এক আসরে একাধিক ম্যাচ জয়ের কৃতিত্ব অর্জন করল নিগার সুলতানা জ্যোতির দল। স্বর্ণা আক্তারের ঝোড়ো ইনিংস এবং বোলারদের সম্মিলিত নৈপুণ্যে স্মরণীয় এক জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে টাইগ্রেসরা।
রিপোর্টার্স২৪/বাবি