বন্ধ্যত্ব সমস্যায় ভোগা অনেক পুরুষের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) একটি আধুনিক প্রযুক্তি। যেসব
গরমে প্রাণ জুড়াতে ঠান্ডা যেকোনো জুস হলে আর কী চাই! এখন তো ফলের মৌসুম। বাজারে বছরের সবচেয়ে সুস্বাদু ফলগুলোর দেখা মিলছে।
ঈদুল আজহার উৎসব মানেই পরিবার-পরিজনের সঙ্গে জমিয়ে মাংসের নানা পদ উপভোগ করা। তবে আনন্দঘন এ সময়ে অসতর্কতার কারণে ছোটখাটো দুর্ঘটনাও ঘটতে পারে।
আজ ২১ মে, বিশ্ব চা দিবস। প্রতিদিনের ব্যস্ত জীবনের ক্লান্তি দূর করে এক কাপ চায়ের উষ্ণতা যেন বাঙালির জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। সকালে ঘুম ভাঙা থেকে শুরু করে কর্মব্যস্ত দিনের ফাঁকে কিংবা প্রিয়জনের সঙ্গে আড্ডায় সবখানেই চায়ের উপস্থিতি এক অনিবার্য বাস্তবতা। কবীর সুমনের বিখ্যাত গান এক কাপ চায়ে আমি তোমাকে চাই এই চায়ের আড্ডার আবেগকেই যেন নতুন করে স্মরণ করিয়ে দেয়।
শহুরে ব্যস্ত জীবনে এখন সম্পর্কের নতুন ঠিকানা হয়ে উঠছে কর্মক্ষেত্র। সকালের তাড়াহুড়া, একসঙ্গে ডেডলাইন সামলানো, সাফল্যের মুহূর্ত ভাগ করে নেয়া, খারাপ দিনে পাশে থাকা, দুপুরের ছোট্ট কফি বিরতি কিংবা দিনের শেষে ক্লান্ত মুখে ‘আজ অনেক চাপ গেল’, এভাবেই অজান্তে কাছাকাছি চলে আসেন অনেক সহকর্মী।
আজ একটু অন্য রকম দিন। আজ সারা রাত জাগার দিন। বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা, রাতভর সিনেমা দেখা, খেলাধুলা কিংবা গল্পে মেতে ওঠার মধ্য দিয়ে দিনটি পালন করেন অনেকেই। ব্যস্ত জীবনের ফাঁকে এই দিন যেন একটু আলাদা আনন্দ এনে দেয়।
কঠোর ডায়েট আর খাদ্যনিয়মে ক্লান্ত অনেকের জন্য আজকের দিনটি একটু ভিন্ন বার্তা নিয়ে এসেছে। ৬ মে উপলক্ষে অনেকে দিনটিকে মন যা চায় আজ তাই খাওয়ার দিন হিসেবে পালন করছেন যেখানে ডায়েট ভেঙে নিজের পছন্দের খাবার উপভোগ করার আহ্বান জানানো হয়।
তীব্র গরমে ফ্রিজের ঠান্ডা পানি কিছুটা স্বস্তি দেয়। কিন্তু অতিরিক্ত ঠান্ডা পানি স্বাস্থ্যের জন্য সবসময় ভালো নয়। গরমে ঘনঘন লোডশেডিংয়ে কখনও কখনও আবার ফ্রিজ অচল হয়ে পড়ে। এই সময়ে পানি ঠান্ডা রাখতে প্রাচীন পদ্ধতি এবং কিছু ঘরোয়া কৌশল কাজে লাগাতে পারেন।
পড়ন্ত বিকেলে ঘরের কোণে জমে থাকা নোংরা থালাবাসন নিয়ে রুমমেটের সঙ্গে কথা-কাটাকাটি, কিংবা সঙ্গীর সঙ্গে টাকা-পয়সা নিয়ে অমিল, আমাদের প্রাত্যহিক জীবনে মতবিরোধ, ঝগড়া বা ‘কনফ্লিক্ট’ এক অনিবার্য বাস্তবতা। মানুষের সঙ্গে মানুষের সম্পর্ক থাকলে সেখানে ঘর্ষণ থাকবেই। কিন্তু মজার বিষয় হলো, ঝগড়া হওয়াটা সম্পর্কের জন্য যতটা না গুরুত্বপূর্ণ, তার চেয়ে অনেক বেশি জরুরি আমরা সেই ঝগড়া বা মতবিরোধ কীভাবে সামলাচ্ছি।
দৈনন্দিন জীবনের চাপ, দুশ্চিন্তা ও মানসিক ক্লান্তি থেকে কিছুটা স্বস্তি পেতে আজ পালিত হচ্ছে ব্যতিক্রমী একটি ধারণাভিত্তিক দিন—“মন খুলে চিৎকারের দিন”।
শীতে যেমন ত্বকের বাড়তি যত্নের প্রয়োজন, গরমে ততটা না হলেও কিছুটা তো রয়েছেই। কারণ ত্বকের প্রতি যত্নশীল হলে আপনি আরও বেশি সুস্থ ও সুন্দর থাকবেন। এছাড়া গরমে রোদ, ধুলোবালি, দূষণ ইত্যাদি কারণে আমাদের ত্বক ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তাই কিছু নিয়ম মেনে চলা জরুরি। গ্রীষ্মকালে ত্বকের যত্নের জন্য প্রয়োজন ত্বককে ইউভি রশ্মি থেকে রক্ষা করা, অতিরিক্ত তেল নিয়ন্ত্রণ করা এবং আর্দ্রতা বজায় রাখা। চলুন জেনে নেওয়া যাক গরমে কীভাবে ত্বকের যত্ন নেবেন,
মানুষের সম্পর্কের রসায়ন চিরকালই রহস্যময়। প্রতিনিয়তই বদলায় ভালোবাসার ধরন ও ভাষা। মিলেনিয়াল ও জেন-জি প্রজন্মের হাত ধরে সম্পর্কের অভিধানে যোগ হয়েছে হরেক রকম ‘শিপ’। ফ্রেন্ডশিপ ও রিলেশনশিপের মতো রোমাঞ্চকর শব্দ এখন বিগত দিনের গল্প। এগুলো ছাড়িয়ে গত কয়েক বছরে দাপিয়ে বেড়িয়েছে ‘সিচুয়েশনশিপ’ নামের শব্দটি। সিচুয়েশন অর্থাৎ পরিস্থিতির চাপে পড়ে এ শব্দটি এখন প্রায় বাতিলের খাতায়।
গনগনে গরমে চকমকে পোশাক তো দূরের কথা গাঢ় রঙের পোশাকও আমরা প্রায় এড়িয়ে চলি। এই গরমে পোশাকে যদি থাকে সাদার স্নিগ্ধতা ও আভিজাত্য, তাহলেই যেন সবচেয়ে ভালো হয়। বৈশাখের এই সময়টায় নিজেকে সাজিয়ে নেওয়া যেতে পারে সাদার মায়ায়। সাদা এমন একটি রং, যা সবাইকে খুব ভালোভাবে মানায়।
ঘাম একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। তবে অতিরিক্ত ঘাম স্বাভাবিক নয়। বিভিন্ন কারণে মানুষের অতিরিক্ত ঘাম হতে পারে। এটি দূর করতে অবশ্যই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। তবে ঘামের অস্বস্তি থেকে রক্ষা পেতে কিছু বিষয় মেনে চলতে পারেন।
বৈশাখের দিনে বা গরমে ঘোরাঘুরি মানেই ত্বকে রোদ, ঘাম আর ধুলাবালির প্রভাব। প্রকৃতির এই রুক্ষ সময়টায় ত্বকই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়- ‘ডিহাইড্রেইশন’ বা পানিশূন্যতা, র্যাশ, ব্রণ, রোদে পোড়া ভাব- সব মিলিয়ে ত্বক যেন ক্লান্ত হয়ে পড়ে। তাই এই সময়ে শুধু সুন্দর মেকআপ করলেই হবে না, বরং ঠান্ডা ও স্বস্তিতে রাখাও জরুরি।