শুক্রবার (৬ জুন) সন্ধ্যায় ঈদুল আজহা উপলক্ষে জাতির উদ্দেশে দেওয়া এক ভাষণে এই ঘোষণার পর চঞ্চল হয়ে উঠেছে রাজনৈতিক অঙ্গন। বিভিন্ন দলের নেতারা জানিয়েছেন নানা প্রক্রিয়া
বাজেট একটি সরকারের রাজনৈতিক দর্শনের প্রতিফলন ও বাস্তবায়নের অন্যতম প্রধান বাহন। সেই হিসাবে সার্বিক মূল্যায়নে বর্তমান বাজেট “ফ্যাসিবাদের দোসর ও নব্য ফ্যাসিবাদী রাজনৈতিক দর্শনের প্রতিফলন” বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের (জি এম কাদের)।
২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটকে ‘সংকোচনমূলক ও মন্দা সৃষ্টিকারী’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)। দলটির অভিযোগ, মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের কথা বলে আইএমএফের শর্ত মানতে গিয়ে সরকার এমন এক বাজেট পেশ করেছে যা অর্থনীতিকে স্থবির করে দিতে পারে। সোমবার (২ জুন) সন্ধ্যায় গণমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে এ কথা বলা হয়।
চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে অবিলম্বে সুস্পষ্ট রোডম্যাপ ঘোষণার দাবি পুনর্ব্যক্ত করেছে জাতীয়তাবাদী সমমনা জোট।
মহানগর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়কসহ ২২ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ৫০-৬০ জনকে আসামি করা হয়েছে। শুক্রবার (৩০ মে) রাত ১১টার দিকে জাতীয় ছাত্র সমাজের কেন্দ্রীয় সদস্য সচিব আরিফ আলী বাদী হয়ে রংপুর মেট্রোপলিটন কোতোয়ালি থানায় মামলাটি দায়ের করেন
যুদ্ধাপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সালাউদ্দিন কাদের (সাকা) চৌধুরী প্রতিষ্ঠিত ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এনডিপি) রাজনৈতিক দল হিসেবে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কাছে নিবন্ধন চেয়েছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, বিদ্যমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এই বৈঠক বিশেষ ভূমিকা রাখবে
যদি সরকারের পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়িত হয়, তাহলে দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে এবং হাজার হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হবে।
হাদী বলেন, জুলাই ঘোষণাপত্র না হলে জুলাই শহীদ পরিবার কিংবা যারা এই আন্দোলনে শরিক হয়েছে তাদেরকে ভারত আর আওয়ামী লীগ কচুকাটা করবে।
বাংলাদেশে আর কোনো এক-এগারো হবে না বলে মন্তব্য করেছেন গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান
জুলাই ঐক্য বিনষ্টের ষড়যন্ত্র এবং ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে জুলাই ঐক্য চট্টগ্রাম নামে একটি সংগঠন। শুক্রবার জুমার নামাজের পর নগরীর আন্দরকিল্লা শাহী জামে মসজিদ থেকে মিছিল শুরু করে চেরাগী পাহাড় হয়ে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়। জুলাই হত্যাকাণ্ডের দায়ে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার দাবিতে ৩৫টি সংগঠনের সমন্বয়ে ‘জুলাই ঐক্য’ নামের এই প্ল্যাটফর্ম আত্মপ্রকাশ করে গত ৬ মে।
রাষ্ট্রের সম্ভাব্য রাজনৈতিক সংকট ও জটিল পরিস্থিতিতে ড. ইউনূসের পদত্যাগ নয়, বরং আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সব পক্ষকে সমঝোতামূলক সমাধানে পৌঁছার আহ্বান জানিয়েছে আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি)।