| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

চবি প্রক্টরের পদত্যাগ দাবিতে মশালমিছিল, লাল রঙ ছিটিয়ে প্রতিবাদ শিক্ষার্থীদের

reporter
  • আপডেট টাইম: সেপ্টেম্বর ০৪, ২০২৫ ইং | ১৯:১১:০৬:অপরাহ্ন  |  ১৫৯০৯৯৬ বার পঠিত
চবি প্রক্টরের পদত্যাগ দাবিতে মশালমিছিল, লাল রঙ ছিটিয়ে প্রতিবাদ শিক্ষার্থীদের
ছবির ক্যাপশন: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়। ছবি- সংগৃহীত

চবি প্রতিনিধি: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) প্রক্টরিয়াল বডির পদত্যাগের দাবিতে মশালমিছিল করেছে গণতান্ত্রিক ছাত্র জোট। এ সময় প্রতীকী কর্মসূচির অংশ হিসেবে প্রক্টর কার্যালয়ের সামনে লাল রং ছিটিয়ে প্রতিবাদ জানানো হয়। ছাত্র জোটের দাবি, লাল রঙের মাধ্যমে প্রক্টরের ‘রক্তখেকো মনোভাব’ প্রতীকীভাবে বোঝানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার রাত আটটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার থেকে মশালমিছিল নিয়ে প্রক্টর কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেন ছাত্র জোটের নেতা-কর্মীরা। পূর্বঘোষিত সময়সীমা শেষ হওয়ায় তাঁরা আবারও তিন দিনের মধ্যে প্রক্টরিয়াল বডির পদত্যাগ দাবি করেন।

‘অধিকার সচেতন শিক্ষার্থীবৃন্দ’ ব্যানারে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিল, বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী, পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ ও নারী অঙ্গনের নেতা-কর্মীরা অংশ নেন। এ সময় তাঁরা সাত দফা দাবি লিখে প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করেন এবং স্লোগান দেন। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে আহত শিক্ষার্থীদের চিকিৎসা নিশ্চিত করা, ভ্রাম্যমাণ আবাসনের ব্যবস্থা, শিক্ষার্থীদের শতভাগ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, অপরাধীদের বিচার, অন্তর্ভুক্তিমূলক সমন্বয় কমিটি গঠন, সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন এবং প্রক্টরিয়াল বডির পদত্যাগ।

বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর সভাপতি জশদ জাকির বলেন, ‘আমরা প্রশাসনকে সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত সময় দিয়েছিলাম। পদত্যাগ না করায় মশালমিছিল ও লাল রং ছিটানোর কর্মসূচি দিয়েছি। নিরাপদ ক্যাম্পাস নিশ্চিত করতে না পারায় এই আন্দোলন চলছে।’

গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের সংগঠক মোহাম্মদ আকিব বলেন, ‘প্রশাসন নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েও ক্লাস-পরীক্ষা শুরু করেছে। সাত দফা যৌক্তিক দাবি বাস্তবায়ন না হলে ও প্রক্টর পদত্যাগ না করলে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। আমাদের কয়েকজন সহপাঠী এখনো আইসিইউতে চিকিৎসাধীন। সাধারণ শিক্ষার্থীদের আমরা আহ্বান জানাই, তাঁরা যেন ন্যায্য দাবির পাশে দাঁড়ান।’

এ ব্যাপারে জানতে চেয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর তানভীর মোহাম্মদ হায়দার আরিফ এবং সহকারী প্রক্টর মোহাম্মদ কোরবান আলীর মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। রিং হলেও তাঁরা কল ধরেননি।

গত শনিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টা থেকে গতকাল বেলা ৩টা পর্যন্ত দফায় দফায় ক্যাম্পাস-সংলগ্ন জোবরা গ্রামের বাসিন্দাদের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ হয়। এতে দুই পক্ষের অন্তত ২২০ জন আহত হয়েছেন। আহত ব্যক্তিদের প্রায় ২০০ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে তিন শিক্ষার্থীর অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক। একজনকে এখনো লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় গত মঙ্গলবার মামলা করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। পরে আটজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। আজ তাঁদের জামিন নামঞ্জুর করেছেন আদালত।

রিপোর্টার্স২৪/সোহাগ

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪