আন্তর্জাতিক ডেস্ক: পাকিস্তানে ইসরায়েলবিরোধী বিক্ষোভে ভয়াবহ সহিংসতায় ৫জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে পুলিশের একজন কর্মকর্তা, তিন বিক্ষোভকারী এবং এক পথচারী রয়েছেন। গাজা যুদ্ধবিরতি ঘোষণার এক সপ্তাহ আগে দেশটিতে ইসরায়েলবিরোধী বিক্ষোভের ডাক দিয়েছিল তেহরিক-ই-লাব্বাইক পাকিস্তান (টিএলপি)। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সে
কিস্তানে ইসরায়েলবিরোধী বিক্ষোভে ভয়াবহ সহিংসতায় ৫জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে পুলিশের একজন কর্মকর্তা, তিন বিক্ষোভকারী এবং এক পথচারী রয়েছেন। গাজা যুদ্ধবিরতি ঘোষণার এক সপ্তাহ আগে দেশটিতে ইসরায়েলবিরোধী বিক্ষোভের ডাক দিয়েছিল তেহরিক-ই-লাব্বাইক পাকিস্তান (টিএলপি)।
ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সোমবারের এই সংঘর্ষে অন্তত পাঁচজন নিহত হয়েছেন বলে দেশটির পুলিশ জানিয়েছে। অতীতেও বিভিন্ন সময়ে এই গোষ্ঠীর বিক্ষোভে ব্যাপক সহিংসতার ঘটনার রেকর্ড রয়েছে।
পাকিস্তানের পুলিশ বলেছে, সোমবার মুরিদকে শহরের বিক্ষোভে অংশ নেওয়া শত শত মানুষকে ছত্রভঙ্গ করে দেওয়ার চেষ্টা করেছে পুলিশ। এ সময় টিএলপির সমর্থকরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ ও ৪০টিরও বেশি যানবাহনে আগুন ধরিয়ে দেন। তিন ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে চলা এই সংঘর্ষে অন্তত পাঁচজন নিহত হয়েছেন।
এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত কয়েক ডজন বিক্ষোভকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। মিছিল শুরুর পর থেকে রাজধানীর প্রবেশ ও প্রস্থানপথগুলো বন্ধ থাকলেও সোমবার আংশিকভাবে তা খুলে দেওয়া হয়।
টিএলপি বলেছে, পুলিশের গুলিতেই তাদের কয়েকজন সমর্থক নিহত ও আহত হয়েছেন। টিএলপির নেতা সাদ রিজভিও গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। শরীরের তিন স্থানে আঘাত পেয়েছেন তিনি।
এর আগে, রোববার এক সংবাদ সম্মেলনে সাদ রিজভি বলেছিলেন, তাদের মিছিলের উদ্দেশ্য ছিল ফিলিস্তিনিদের প্রতি সংহতি জানানো। আমাদের মিছিল ইসরায়েলের বর্বরতার বিরুদ্ধে। এর আগেও দলটি পাকিস্তানজুড়ে ইসরায়েলি পণ্য বয়কটের ডাক দেয়।
রিপোর্টার্স২৪/এসসি