রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক: নব্বইয়ের দশকের শেষভাগে স্বৈরশাসকের পতনের জন্য গণতন্ত্রকামী আন্দোলনে প্রাণ উৎসর্গ করা শহীদ নূর হোসেনের মৃত্যুবার্ষিকী আজ (১০ নভেম্বর)। ১৯৮৭ সালের এই দিনে ঢাকার রাজপথ রক্তে রঞ্জিত হয়, এবং তার আত্মত্যাগ গণতন্ত্রের সংগ্রামকে অনিবার্য বিজয়ের দিকে এগিয়ে নেয়।
নূর হোসেন সেই সময় আন্দোলনে অংশগ্রহণ করে নিজের শরীরে লিখেছিলেন—“গণতন্ত্র মুক্তি পাক, স্বৈরাচার নিপাত যাক।” পুলিশ তার ওপর গুলি চালিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করে। তাঁর এই দিনকে পরে গণতন্ত্র মুক্তি দিবস হিসেবেও পালন করা হয়ে থাকে।
১৯৮৭ সালের ১০ নভেম্বর কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরের ক্ষেতমজুর নেতা আমিনুল হুদা টিটো এবং যুবলীগ নেতা নূরুল হুদা বাবুলও একই দিনে শহীদ হন। তৎকালীন হাজারো যুবক রাজপথে নেমে প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন, সেই আন্দোলনের মধ্যে ছিলেন নূর হোসেন।
নূর হোসেন ও তার সহযোদ্ধাদের অকুতোভয় সংগ্রামের কারণে স্বৈরশাসনের বাহিনীও গণতন্ত্রের দাবিকে দমন করতে পারছিল না। স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন তীব্র হয়ে ওঠে এবং তিন জোটের সংগ্রাম অব্যাহত ও অপ্রতিরোধ্য রূপ লাভ করে।
আজ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠন নানা কর্মসূচির মাধ্যমে শহীদ নূর হোসেনের আত্মত্যাগ স্মরণ করবে। তার দৃষ্টান্তের মাধ্যমে নতুন প্রজন্মকে গণতন্ত্র রক্ষার চেতনাকে আরও শক্তিশালী করার আহ্বান জানানো হবে।
রিপোর্টার্স২৪/ঝুম