| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

৫০ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন দিতে পারবেন প্রধান বিচারপতি

reporter
  • আপডেট টাইম: নভেম্বর ৩০, ২০২৫ ইং | ১৮:৪৫:৩৯:অপরাহ্ন  |  ১২১৪৭৮১ বার পঠিত
৫০ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন দিতে পারবেন প্রধান বিচারপতি
ছবির ক্যাপশন: ছবি: সংগৃহীত

স্টাফ রিপোর্টার: অধস্তন আদালতের আর্থিক ও প্রশাসনিক ক্ষমতার সার্বিক নিয়ন্ত্রণ প্রধান বিচারপতির হাতে ন্যস্ত করে ‘সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ-২০২৫’ জারি করেছে সরকার। রোববার (৩০ নভেম্বর) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এ অধ্যাদেশ প্রকাশ করে।

অধ্যাদেশ অনুযায়ী, সুপ্রিম কোর্ট–সংশ্লিষ্ট উন্নয়ন ও কারিগরি প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয় সর্বোচ্চ ৫০ কোটি টাকার মধ্যে হলে প্রধান বিচারপতি অনুমোদন দেবেন। ব্যয় তার বেশি হলে প্রকল্পটি একনেকে অনুমোদনের জন্য পরিকল্পনামন্ত্রীর কাছে পাঠানো হবে। সরকার প্রয়োজনে এই আর্থিক সীমা মুদ্রাস্ফীতি বা অন্যান্য কারণে বাড়াতে পারবে।

অধ্যাদেশে ৮ সদস্যের একটি পরিকল্পনা ও উন্নয়ন কমিটি গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। আপিল বিভাগের একজন বিচারপতি কমিটির প্রধান হবেন। যাচাই–বাছাই শেষে এই কমিটির সুপারিশপ্রাপ্ত ৫০ কোটি টাকার মধ্যে থাকা প্রকল্প প্রধান বিচারপতি অনুমোদন করবেন। অনুরূপভাবে অনুন্নয়ন বাজেটের আওতায় ৫০ কোটি টাকার মধ্যে থাকা স্কিমও প্রধান বিচারপতি অনুমোদন দেবেন; এর বেশি হলে প্রস্তাব পাঠানো হবে অর্থ বিভাগে।

বাজেট ব্যবস্থাপনা বিষয়ে অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় প্রতি অর্থবছরের আগে সুপ্রিম কোর্ট ও অধস্তন আদালত–সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর সম্ভাব্য আয়–ব্যয়ের বিবৃতি প্রস্তুত করবে। প্রধান বিচারপতি সেই বিবৃতি সরকারের আর্থিক বিবৃতির সঙ্গে সংসদে উপস্থাপনের জন্য অর্থমন্ত্রীর কাছে পাঠাবেন। সুপ্রিম কোর্ট ও সচিবালয়ের বরাদ্দকৃত অর্থ পুনঃউপযোজনের ক্ষমতাও প্রধান বিচারপতির ওপর ন্যস্ত থাকবে।

অধ্যাদেশে সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়কে একটি স্বতন্ত্র প্রশাসনিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে। অধস্তন আদালত, প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল, সুপ্রিম কোর্ট রেজিস্ট্রি ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রশাসনিক দায়িত্ব, পদ সৃষ্টি ও নিয়োগ, বদলি, শৃঙ্খলাবিধান, বিচারক ও কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ–সংক্রান্ত দায়িত্বও এই সচিবালয় পালন করবে। সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদের অধীনে সার্ভিস সদস্যদের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলাবিধান সংক্রান্ত কার্যাদি রাষ্ট্রপতির পক্ষে সচিবালয় সম্পাদন করবে।

অধ্যাদেশ জারির উদ্দেশ্য হিসেবে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা কার্যকর করা, অধস্তন আদালতের তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণ শক্তিশালী করা এবং বিচার বিভাগকে কার্যকরভাবে নির্বাহী বিভাগ থেকে পৃথক করাকে উল্লেখ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, বিচার বিভাগের প্রাতিষ্ঠানিক স্বতন্ত্রীকরণের অংশ হিসেবে গত বছরের ২৭ অক্টোবর সুপ্রিম কোর্ট পৃথক বিচার বিভাগীয় সচিবালয়ের প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে পাঠায়।

রিপোর্টার্স২৪/এসসি

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪