রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক: বর্তমান সময়ে স্বাস্থ্য সচেতন মানুষের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। অনাকাঙ্ক্ষিত ওজন কমাতে বা স্বাস্থ্য বজায় রাখতে খাদ্যতালিকা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বিশেষত বাঙালিরা প্রায়ই ভাবেন, দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় ভাত না রুটি কোনটি বাদ দিলে ওজন নিয়ন্ত্রণে সুবিধা পাওয়া যাবে। দু’টোই প্রধান কার্বোহাইড্রেট উৎস হলেও পুষ্টি, ক্যালোরি ও হজমের দিক থেকে পার্থক্য রয়েছে।
পুষ্টির তুলনা:
ভাত ও রুটি দু’টোই কার্বোহাইড্রেট সরবরাহ করে। তবে ফাইবার, সোডিয়াম ও ক্যালোরির মাত্রায় পার্থক্য রয়েছে। বিশেষ করে আটার রুটি ভাতের তুলনায় বেশি উপকারী।
রুটির সুবিধা:
উচ্চ ফাইবার: আটার রুটিতে ভাতের চেয়ে বেশি আঁশ থাকে।
দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখে: ফাইবার ধীরে হজম হয়, ফলে ক্ষুধা দেরিতে লাগে এবং কম ক্যালোরি গ্রহণ হয়।
কম গ্লাইসেমিক ইনডেক্স: রুটিতে শর্করার বৃদ্ধি ধীর হয়, ফলে চর্বি জমার সম্ভাবনা কমে।
কম ক্যালোরি: সমপরিমাণ ভাতের তুলনায় রুটিতে ক্যালোরি কম থাকে।
ভাত খাওয়ার সময় সতর্কতা:
সাদা ভাতের পরিবর্তে ব্রাউন রাইস বা লাল চাল বেছে নিন, যা ফাইবার ও পুষ্টিতে বেশি সমৃদ্ধ।
ভাতের পরিমাণ সীমিত রাখুন।
ভাতের সঙ্গে সবজি ও প্রোটিন (ডাল বা মাছ) রাখলে গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কমে এবং পেট দীর্ঘসময় ভরা থাকে।
স্বাস্থ্য এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে শুধুমাত্র ভাত বা রুটি বেছে নেওয়া যথেষ্ট নয়। ক্যালোরি ও খাবারের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ, প্রক্রিয়াজাত চিনি ও অতিরিক্ত ফ্যাট কমানো এবং আটার রুটি বা ব্রাউন রাইসকে অগ্রাধিকার দেওয়া জরুরি।
রিপোর্টার্স২৪/আয়েশা