| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

তেল-গ্যাসের দাম বাড়লে বাড়ুক: ট্রাম্প

reporter
  • আপডেট টাইম: মার্চ ০৬, ২০২৬ ইং | ২১:১০:৪৫:অপরাহ্ন  |  ৪০৪৯২০ বার পঠিত
তেল-গ্যাসের দাম বাড়লে বাড়ুক: ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকার চলাকালে জ্বালানি গ্যাসের দামবৃদ্ধি সম্পর্কে প্রশ্ন করা হয়েছিলো প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে। উত্তরে তিনি বলেছেন, গ্যাসের দাম যদি বাড়ে তো বাড়ুক। আমি এ নিয়ে একেবারেই চিন্তা করছি না। এখন গ্যাসের দাম বাড়ছে, আবার যুদ্ধ শেষ হলেই দ্রুত দাম কমে যাবে। তাই  ইরানে এখন যুদ্ধ চলছে এবং গ্যাসের দাম বৃদ্ধির চেয়ে এটি অনেক অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।”

এ সময় তিনি আরো বলেন, তার সব মনোযোগের কেন্দ্র এখন ইরান যুদ্ধ। 

ইতিমধ্যেই উভয় দেশই দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে। এর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে তেল-গ্যাসের দাম। ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ অভিযানের প্রভাব ইতোমধ্যেই পড়তে শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানির বাজারে। ইতোমধ্যে জ্বালানি গ্যাসের দাম গত ৬ দিনে বেড়েছে ৭ শতাংশ, অদূর ভবিষ্যতে আরও বাড়বে— এমন ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রের লুইজিয়ানা ও টেক্সাস অঙ্গরাজ্যে ভূগর্ভস্থ জরুরি তেলের মজুত আছে যুক্তরাষ্ট্রে। এই দুই অঙ্গরাজ্যে যে পরিমাণ তেলের মজুত আছে— তা বর্তমানে বিশ্বের বৃহত্তম জরুরি তেলের মজুত। তবে রয়টার্সকে ট্রাম্প জানিয়েছেন, আপাতত এই মজুত তিনি ব্যবহার করতে চাইছেন না।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আরও বলেছেন, হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক হলেই বৈশ্বিক জ্বালানির বাজার আবার আগের অবস্থায় ফিরবে এবং শিগগিরই তা ঘটবে।

“জ্বালানির বাজার চড়া থাকার প্রধান কারণ হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল কম হচ্ছে। তবে শিগগিরই এটি স্বাভাবিক হবে, কারণ অল্প সময়ের মধ্যে মার্কিন সেনা ইরানের নৌবাহিনীকে সাগরের তলায় পাঠিয়ে দেবে”, রয়টার্সকে বলেন ট্রাম্প।

ইরানের পরমাণু প্রকল্প নিয়ে গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২১ দিন ধরে সংলাপ চলে তেহরান এবং ওয়াশিংটনের মধ্যে। ২৭ ফেব্রুয়ারি কোনো প্রকার সমঝোতা চুক্তি ছাড়াই শেষ হয় সেই সংলাপ।

তার পরের দিন ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। ওয়াশিংটনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে একই সময়ে ইরানে সামরিক অভিযান ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ শুরু করে ইসরায়েলও।

গত ৭ দিন ধরে যুদ্ধ চলছে এবং হামলার পাল্টা জবাব হিসেবে ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন সেনাঘাঁটিগুলোতে দফায় দফায় ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করছে ইরান।


রিপোর্টার্স২৪/এসএন


ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪