| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

ইরানের পারমাণবিক হুমকি শেষ হলেই তেলের দাম কমে আসবে: ট্রাম্প

reporter
  • আপডেট টাইম: মার্চ ০৯, ২০২৬ ইং | ১৩:৩১:৫৩:অপরাহ্ন  |  ৩৭৩২৬৩ বার পঠিত
ইরানের পারমাণবিক হুমকি শেষ হলেই তেলের দাম কমে আসবে: ট্রাম্প

রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক: ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়লেও এটিকে সাময়িক বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, ইরানের পারমাণবিক হুমকি শেষ হয়ে গেলে তেলের দাম দ্রুত কমে আসবে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য হিল-এর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

রোববার (৮ মার্চ) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও বিশ্ব নিরাপত্তার স্বার্থে তেলের দাম কিছুটা বাড়া খুব বড় বিষয় নয়। তার ভাষায়, নিরাপত্তা ও শান্তির জন্য এটি ছোট একটি মূল্য। ইরানের পারমাণবিক হুমকি ধ্বংস হয়ে গেলে স্বল্পমেয়াদে তেলের দাম দ্রুত কমে যাবে।

ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার জেরে সাম্প্রতিক দিনগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্ববাজারে তেল ও গ্যাসের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা ও বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম প্রায় ২০ শতাংশ বেড়ে ২০২২ সালের জুলাইয়ের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। মূলত ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সংঘাতের কারণে সরবরাহ ব্যবস্থা কঠোর হয়ে পড়েছে এবং হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচলে দীর্ঘস্থায়ী ব্যাঘাতের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

সোমবার ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচারের দাম ১৮ দশমিক ৩৫ ডলার বা ১৯ দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১১১ দশমিক ০৪ ডলারে পৌঁছেছে। একই সময়ে মার্কিন ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) অপরিশোধিত তেলের ফিউচারের দাম ১৫ দশমিক ২৭ ডলার বা ১৬ দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১০৬ দশমিক ১৭ ডলারে দাঁড়িয়েছে। সেশনের শুরুতে এটি ২২ শতাংশের বেশি বেড়ে ১১১ ডলারের কাছাকাছি পৌঁছেছিল। গত সপ্তাহে ব্রেন্টের দাম বেড়েছে ২৭ শতাংশ এবং ডব্লিউটিআই বেড়েছে ৩৫ দশমিক ৬ শতাংশ।

বিশ্লেষকদের মতে, ইরানকে ঘিরে চলমান সংঘাতের কারণে বিশ্বব্যাপী ভোক্তা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোকে অন্তত কয়েক সপ্তাহ বা মাস ধরে জ্বালানি তেলের উচ্চমূল্যের চাপ বহন করতে হতে পারে। সরবরাহ ব্যবস্থা ব্যাহত হওয়া এবং জাহাজ চলাচলের ঝুঁকি বাড়ায় বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে।

শীর্ষ তেল রফতানিকারক দেশ সৌদি আরব লোহিত সাগর হয়ে তেলের চালান বাড়ানোর চেষ্টা করছে। তবে শিপিং তথ্য অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালী থেকে যে ঘাটতি তৈরি হয়েছে তা পূরণ করার জন্য এই পদক্ষেপ যথেষ্ট নয়।

এএনজেড ব্যাংকের সিনিয়র পণ্য কৌশলবিদ ড্যানিয়েল হাইন্স বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের উৎপাদকরা গুদামে তেল জমা হওয়ার কারণে উৎপাদন কমাচ্ছেন। পরিস্থিতি যদি এমন পর্যায়ে যায় যে তেলের কূপ বন্ধ করতে হয়, তাহলে সংঘাত শেষ হলেও সরবরাহ স্বাভাবিক হতে সময় লাগবে এবং তেলের দাম দীর্ঘ সময় উচ্চ পর্যায়েই থাকতে পারে।

সূত্র: দ্য হিল

রিপোর্টার্স২৪/আরকে

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪