| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

যুদ্ধের আতঙ্কে সোনায় বিনিয়োগ বাড়ছে, বাজারে নতুন রেকর্ড

reporter
  • আপডেট টাইম: মার্চ ০৯, ২০২৬ ইং | ১৫:১০:৩৮:অপরাহ্ন  |  ৩৭৩০৮১ বার পঠিত
যুদ্ধের আতঙ্কে সোনায় বিনিয়োগ বাড়ছে, বাজারে নতুন রেকর্ড
ছবির ক্যাপশন: সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইরানকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক সংঘাত তীব্র হওয়ার পর বৈশ্বিক বাজারে সোনার দাম দ্রুত বেড়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই পরিস্থিতিতে বিশ্বজুড়ে বিনিয়োগকারীরা নিরাপদ সম্পদ হিসেবে সোনার দিকে ঝুঁকছেন, যার ফলে সোনার মোট বাজারমূল্য ৩০ থেকে ৩৫ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। এটি ভারতের ও যুক্তরাজ্যের সম্মিলিত মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) চেয়েও বেশি।

আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম প্রতি আউন্স ৫,৪০০ ডলার ছাড়িয়ে গেছে এবং ৫,৬০০ ডলারের কাছাকাছি নতুন রেকর্ড স্পর্শ করার চেষ্টা করছে। কয়েক বছর ধরেই সোনার দামে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা গেলেও ইরান যুদ্ধের পর এই প্রবণতা আরও দ্রুত হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র সমর্থিত ইসরায়েলি হামলা এবং এর জবাবে ইরানের পাল্টা আক্রমণের কারণে বৈশ্বিক আর্থিক বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে শেয়ারবাজার থেকে অনেক বিনিয়োগকারী অর্থ সরিয়ে সোনায় বিনিয়োগ করছেন।

সাম্প্রতিক এই উল্লম্ফনের ফলে পৃথিবীতে বিদ্যমান মোট সোনার বাজারমূল্য এখন প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ ট্রিলিয়ন ডলারের সমান বলে ধারণা করা হচ্ছে। তুলনামূলকভাবে ভারতের অর্থনীতির আকার প্রায় ৫ ট্রিলিয়ন ডলার এবং যুক্তরাজ্যের অর্থনীতি প্রায় ৩ ট্রিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি।

বাজার বিশ্লেষকদের ভাষ্য, ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়লে সোনা প্রায়ই একটি ‘আর্থিক সুপারপাওয়ারে’ পরিণত হয়। কারণ যুদ্ধ, রাজনৈতিক অস্থিরতা বা অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার সময় বিনিয়োগকারীরা নিরাপদ সম্পদ হিসেবে সোনাকে বেছে নেন।

বাজারে প্রতিটি নতুন উত্তেজনাপূর্ণ ঘটনার খবর—যেমন উপসাগরীয় অঞ্চলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, জ্বালানি অবকাঠামোয় আক্রমণ বা হরমুজ প্রণালী বন্ধের হুমকি—শেয়ারবাজারে চাপ সৃষ্টি করছে এবং একই সঙ্গে সোনার চাহিদা বাড়াচ্ছে।

এই সংঘাতের প্রভাব শুধু সোনাতেই সীমাবদ্ধ নয়। একই সঙ্গে তেলের দামও বেড়েছে এবং বৈশ্বিক শেয়ারবাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে।

তবে বিশ্লেষকদের মধ্যে এ নিয়ে মতভেদ রয়েছে যে এই প্রবণতা কতদিন স্থায়ী হবে। কেউ কেউ মনে করেন, যদি ইরান সংঘাত কমে আসে বা বৈশ্বিক অর্থনীতি শক্তিশালী হয়, তাহলে সোনার দামে সংশোধন দেখা যেতে পারে।

অন্যদিকে অনেক বিশ্লেষক মনে করেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর সোনা ক্রয়, দীর্ঘমেয়াদি ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা এবং কাগুজে মুদ্রার ওপর আস্থাহীনতার মতো কারণগুলো ভবিষ্যতেও সোনাকে বৈশ্বিক আর্থিক ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ হিসেবে ধরে রাখবে।

রিপোর্টার্স২৪/এসসি

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪