| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

ট্রাইব্যুনালে আশুলিয়া গণহত্যা মামলা: সাবেক এমপি ও ১৫ পুলিশ কর্মকর্তা অভিযুক্ত

reporter
  • আপডেট টাইম: Jul ০২, ২০২৫ ইং | ০৫:৪৪:৫৩:পূর্বাহ্ন  |  ১৭৭৩৮৩৯ বার পঠিত
ট্রাইব্যুনালে আশুলিয়া গণহত্যা মামলা: সাবেক এমপি ও ১৫ পুলিশ কর্মকর্তা অভিযুক্ত
ছবির ক্যাপশন: ছবি: সংগৃহীত

রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক :

আশুলিয়ায় ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় পুলিশের গুলিতে ৫ জন নিহত এবং পরে তাদের সঙ্গে এক আহত ব্যক্তিকে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনায় সাবেক সংসদ সদস্য মুহাম্মদ সাইফুল ইসলামসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে। প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে বুধবার (২ জুলাই) এই অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।

এই মামলায় অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন পুলিশের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তা, সাবেক ওসি, উপপরিদর্শক ও কনস্টেবলসহ বিভিন্ন পদে থাকা ১৬ জন। তাদের মধ্যে ৮ জন বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। এদের মধ্যে ৭ জনকে এদিন ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।

প্রসিকিউশন জানায়, তদন্তে প্রমাণ মিলেছে—গত বছরের ৫ আগস্ট বিকাল ৩টার দিকে আশুলিয়া থানার সামনে আন্দোলনরত জনগণের ওপর পুলিশ গুলি চালায়। ঘটনাস্থলেই পাঁচজন নিহত হন এবং একজন গুরুতর আহত হন। এরপর পুলিশ তাদের প্রথমে একটি ভ্যানে, পরে নিজেদের গাড়িতে তোলে এবং সেখানে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে ছয়জনকেই পুড়িয়ে দেয়—যার মধ্যে একজন তখনো জীবিত ছিলেন।

নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে পাঁচজনের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে। তারা হলেন—সাজ্জাদ হোসেন (সজল), আস সাবুর, তানজীল মাহমুদ সুজয়, বায়েজিদ বুসতামি এবং আবুল হোসেন। একজনের পরিচয় এখনও অজ্ঞাত রয়েছে।

এ ঘটনায় ২০২৪ সালের ১১ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ এনে মামলা করা হয়। দীর্ঘ তদন্ত শেষে ১৯ জুন প্রসিকিউশন তদন্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে এবং ২ জুলাই আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র জমা দেয়।

এই মামলার অভিযুক্তদের মধ্যে নাম প্রকাশিত ১১ জন হলেন: মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম (সাবেক এমপি), মো. শহিদুল ইসলাম (সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, সাভার সার্কেল), আবদুল্লাহ হিল কাফি (সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, ঢাকা জেলা), এ এফ এম সায়েদ ওরফে রনি (সাবেক ওসি, আশুলিয়া থানা), মো. আরাফাত হোসেন (সাবেক পরিদর্শক, ডিবি উত্তরা), আবদুল মালেক (সাবেক উপপরিদর্শক, আশুলিয়া থানা), আরাফাত উদ্দীন (সাবেক উপপরিদর্শক), শেখ আবজালুল হক (সাবেক উপপরিদর্শক), বিশ্বজিৎ সাহা (সাবেক উপপরিদর্শক), কামরুল হাসান (সাবেক উপপরিদর্শক), মুকুল চোকদার (সাবেক কনস্টেবল)। বাকি ৫ আসামির নাম এখনো প্রকাশ করেনি প্রসিকিউশন। প্রসিকিউশন বলছে, এই হত্যাকাণ্ড পূর্বপরিকল্পিত এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের স্পষ্ট উদাহরণ। তদন্ত প্রতিবেদনে এর প্রমাণ যথেষ্টভাবে উঠে এসেছে।


.

রিপোর্টার্স২৪/এস

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪