নোয়াখালী প্রতিনিধি:
‘এটা আমার এলাকা’ বলেই- নোয়াখালী সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি রাশেদুল ইসলাম সোহাগ কলেজে হামলা ও ভাঙচুর করেছেন। এ সময় তিনি এক শিক্ষককেও লাঞ্ছিত করেন বলে অভিযোগ উঠেছে। সোমবার নোয়াখালী সরকারি কলেজের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অফিস কক্ষে এ হামলা ও ভাঙচুর চালানো হয়। এ সময় নোয়াখালী সরকারি কলেজের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক এবং আব্দুস সালাম হলের হল সুপার মো. আনোয়ার হোসেনকে লাঞ্ছিত করা হয়।
মঙ্গলবার (৬ মে) গণমাধ্যমের কাছে এমন অভিযোগ করেন নোয়াখালী সরকারি কলেজের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. আনোয়ার হোসেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আব্দুস সালাম হলের কয়েকজন শিক্ষার্থী জানান, নিয়ম লঙ্ঘন করে ছাত্রদলের সুপারিশকৃত ছাত্রকে হলে না ওঠানোর জেরে মূলত এ ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনার পর কলেজের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে হেনস্তার শিকার নোয়াখালী সরকারি কলেজের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, কয়েকদিন হলো আমি কলেজের হলের দায়িত্ব পেয়েছি। ছাত্রদলের সভাপতি সোহাগ এসে আমাকে একটা ছেলেকে হলে ওঠানোর বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে।
তিনি আরও বলেন, আমি ওই নেতাকে স্পষ্ট বলি- নিয়ম মেনে করা আবেদন অনুযায়ী সবাইকে হলে ওঠানো হবে। তখন সে আমাকে হুমকিধমকি ও উচ্চবাচ্য শুরু করে। আমি তাকে সংযত আচরণ করতে বলি। তখন সে আরও উত্তেজিত হয়ে- ‘এটা আমার এলাকা’ বলেই আমার কক্ষের টেবিল ও আসবাবপত্র ভাঙচুর করে। এ সময় সে আরও বলে যে- আমাকে দেখে নেবে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে নোয়াখালী সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি রাশেদুল ইসলাম সোহাগ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ভাঙচুরের কোনো ঘটনা ঘটেনি। শুধু একটু চেঁচামেচি করেছিলাম। আর তাছাড়া এ স্যার শিবিরপন্থী।
এ বিষয়ে জানার জন্য নোয়াখালী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর জাকির হোসেনকে একাধিকবার কল করেও তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
রিপোর্টার্স২৪/ধ্রুব