| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

অপসারণের এক বছর, শিক্ষক ভবেশের জীবনে অনাহার-অর্ধাহার

reporter
  • আপডেট টাইম: অগাস্ট ০৮, ২০২৫ ইং | ০৮:৪৯:২৫:পূর্বাহ্ন  |  ১৫৫৩৩০৭ বার পঠিত
অপসারণের এক বছর, শিক্ষক ভবেশের জীবনে অনাহার-অর্ধাহার
ছবির ক্যাপশন: শিক্ষক ভবেশ চন্দ্র রায়

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:

২০২৪ সালের ১৯ আগস্ট। ঠাকুরগাঁও পুলিশ লাইন হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজের আঙিনা উত্তাল হয়ে ওঠে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে। প্রধান শিক্ষক ভবেশ চন্দ্র রায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে রাস্তায় নেমে আসে তারা। পরদিন, তার নিজের ইচ্ছার বিরুদ্ধে, গভর্নিং বডি তাকে পদত্যাগে বাধ্য করে।

তারপর থেকে কেটে গেছে প্রায় এক বছর। ভবেশ চন্দ্র রায় দফায় দফায় বিভিন্ন দপ্তরে ধর্না দিয়েও কর্মস্থলে ফিরতে পারেননি।

ঘটনার তিন মাস পর, ১৯ নভেম্বর ২০২৪-এ, একই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা আবার রাস্তায় নামে—তবে এবার দাবি একটাই: “শিক্ষক ভবেশ চন্দ্র রায়কে পূর্ণবহাল করো।” তারা পুলিশ সুপারের কার্যালয় ঘেরাও করে এবং বিক্ষোভ মিছিল বের করে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে পরপর কয়েকটি চিঠিতে বলা হয়—এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের জোরপূর্ব পদত্যাগের ঘটনায় বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে তদন্ত করে প্রতিবেদন দিতে হবে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের বেতন-ভাতা চালু রাখারও নির্দেশ দেওয়া হয়।

পরবর্তীতে আরেকটি পরিপত্রে ‘জোরপূর্বক পদত্যাগ করা শিক্ষকদের’ তথ্য পাঠানোর নির্দেশ আসে। সে অনুযায়ী, ১৪ জানুয়ারি ২০২৫ তারিখে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আব্দুর রহমান মন্ত্রণালয়ে রিপোর্ট পাঠান—যেখানে স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকে, ভবেশ চন্দ্র রায়কে জোরপূর্বক পদত্যাগ করানো হয়েছে।

তবুও, মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার পরও এখনো কোনো সিদ্ধান্ত বা অগ্রগতি হয়নি।

ভবেশ চন্দ্র রায় বলেন, “আমাকে প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ জোর করে পদত্যাগ করিয়েছে। মন্ত্রণালয় থেকে পরিষ্কার নির্দেশনা থাকার পরও গভর্নিং বডি সভাপতি ও পুলিশ সুপার কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছেন না। আমার পরিবারে দুই সন্তান পড়াশোনা করছে—এখন এমন অবস্থা, এক বেলা খেলে আরেক বেলা খেতে পারি না।”

পুলিশ লাইন হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি ও পুলিশ সুপার শেখ জাহিদুল ইসলাম বলেন, “ভবেশ চন্দ্র রায়ের বিষয়ে মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়েছি। উত্তর এলে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”

জেলা শিক্ষা অফিসার শাহীন আকতার জানান,

“পুলিশ লাইন হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ সরাসরি পুলিশ সুপারের অধীনে। বিষয়টি তিনি দেখছেন।”



এস

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪