জামায়াতের নারী বিভাগের কর্মী ও নেত্রীরাও চালাচ্ছেন ভোটের প্রচারণা। ইসলামি সভার নাম করে বাড়িতে হয় নারীদের জমায়েত। সেই জমায়েতে ধর্মীয় আলোচনার ফাঁকে ফাঁকে চলে ভোটের প্রচার। প্রচারণার এই কৌশলে একটি বিষয় পরিষ্কার যে, নারী ভোটাররাই প্রধান টার্গেট জামায়াতে ইসলামীর। এই টার্গেটে বহু আগে থেকেই চলছে কার্যক্রম। ফলে নারীদের মধ্যে ক্রমেই বাড়ছে তাদের ভোট। বিপরীতে পিছিয়ে পড়ছে বিএনপিসহ অন্য দলগুলো। নারী ভোটারদের পাশাপাশি অন্যান্য ধর্মাবলম্বী আর আওয়ামী লীগের ভোট বাগাতেও কাজ করছে জামায়াত। ‘ক্ষমতায় বিএনপি এলে এলাকায় থাকা মুশকিল হবে’ বলে বোঝানো হচ্ছে তাদের। একই সঙ্গে দেওয়া হচ্ছে জানমাল রক্ষার প্রতিশ্রুতি। এসব কথায় উদ্বুদ্ধ হয়ে জামায়াতের পক্ষে কাজ করছেন অনেক আওয়ামী লীগ নেতা। অন্যান্য এলাকায়ও জামায়াতে আস্থা রাখতে শুরু করেছেন নৌকার ভোটাররা।
জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন ও নভেম্বরে গণভোটসহ পাঁচ দফা দাবিতে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে জামায়াতসহ আট রাজনৈতিক দল। আগামীকাল বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) নির্বাচন কমিশনে (ইসি) স্মারকলিপি দেবে তারা।
জাতীয় সংসদ নির্বাচন কোনো কারণে অনিশ্চিত হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। এ পরিস্থিতিতে জুলাই সনদ সর্বপ্রথম বাস্তবায়ন করা অত্যন্ত জরুরি বলে তিনি দাবি করেছেন।
ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি মো. জাহিদুল ইসলাম বলেছেন, পৃথিবীতে অনেকে জ্ঞান অর্জন করে, কিন্তু উপলব্ধি করতে পারে না।
ইসলামী ব্যাংকের সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর কোনো সম্পর্ক নেই, এমন দাবি করেছেন দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। তিনি বলেন, ‘বিএনপি ইসলামী ব্যাংকসহ কিছু প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের নির্বাচনি দায়িত্বে না দেওয়ার কথা বলেছে—এই মন্তব্য অত্যন্ত দুঃখজনক। এসব প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে জামায়াতের কোনো প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সম্পৃক্ততা নেই।’
আগামী এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করতে নির্বাচন কমিশনকে ১৮ দফা সুপারিশ দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। সুপারিশে দলটি জাতীয় নির্বাচনের আগে আগামী নভেম্বর মাসে কমিশনকে গণভোট আয়োজনের প্রস্তাব দিয়েছে। আজ মঙ্গলবার দুপুরে জামায়াতে ইসলামীর সাত সদস্যের প্রতিনিধি দল প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে বৈঠক করেন। রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে নেতৃত্ব দেন দলটির সেক্রেটারি জেনারেল গোলাম পরওয়ার।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাত সদস্যের প্রতিনিধি দল প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠকে বসেছে। মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনের সভা কক্ষে বেলা ১২ টা ১০ মিনিটে এ বৈঠক শুরু হয়েছে।
আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের অভিযাত্রা শুরু হয়েছে, আর এই অভিযাত্রাকে বানচাল করতে সক্রিয় হবে বিভিন্ন পরাশক্তি ও গোয়েন্দা এজেন্সি এমন মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। তিনি বলেন, সবাই যদি ঐক্যবদ্ধ থাকে, তাহলে এসব অপচেষ্টা ব্যর্থ হবে এবং নতুন বাংলাদেশ গঠনের পথে কেউ বাধা দিতে পারবে না।
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান জাতীয় সংসদে প্রবাসীদের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার ঘোষণা দিয়ে বলেছেন, এই প্রতিনিধিত্ব থাকলে প্রবাসীরা অনুভব করবে-আমিও বাংলাদেশ, আমরাও বাংলাদেশ।
জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী উত্তরের সেক্রেটারি ড. মুহাম্মাদ রেজাউল করিম বলেছেন, ‘মেধাবীরা যদি চরিত্রহীন হয়, তাহলে সেই মেধাই জাতির জন্য অভিশাপ। আমাদের দেশ দুর্নীতিতে চারবার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়েছিল—রিকশাচালক বা শ্রমিকরা নয়, দায়ী ছিল শিক্ষিত কিন্তু চরিত্রহীন মানুষরা। ওই সচিব, ওই আমলা, ওই ডিসি, ওই ইউএনও—আমার মতো রাজনীতিবিদ যারা কমিশন নিয়েছে, তারাই দায়ী।’
শৈলকুপায় পূর্ব শত্রুতার জেরে এক মহিলার ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। হামলার শিকার আহত হালিমা খাতুন বর্তমানে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। সে পৌর এলাকার সাতগাছি গ্রামের খা পাড়ার শুকুর আলীর স্ত্রী।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারি সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান বলেছেন, প্রশাসনের কিছু লোকজন একটি দলের পক্ষে ভূমিকা রাখার চেষ্টা করছে। প্রশাসনে থেকে, রাষ্ট্রীয় সকল সুযোগ সুবিধা নিয়ে একটি দলের পক্ষে কাজ করবেন, বাংলাদেশের জনগণ এটি মেনে নেবে না।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামির কেন্দ্রীয় সহকারি সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান বলেছেন, বাংলাদেশের মানুষ চাঁদাবাজ, নৈরাজ্য, দখলবাজি, দুর্নীতি, সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে আজ ঐক্যবদ্ধ হচ্ছে। গ্রামে, গঞ্জে, শহরে-বন্দরে, চা স্টল থেকে সচিবালয়ে স্লোগান উঠেছে সব দল দেখা শেষ জামাত ইসলামির বাংলাদেশ। আগামীর নতুন বাংলাদেশ হবে দুর্নীতিমুক্ত।
তিন দিনের যুগপৎ কর্মসূচির অংশ হিসেবে জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী আন্দোলনসহ আটটি সমমনা দল আগামীকাল শনিবার (২৫ অক্টোবর) সব বিভাগীয় শহরে বিক্ষোভ ও সমাবেশ করবে।
জামায়াতে ইসলামীর আমীর শফিকুর রহমান বলেন, ‘মানুষ তার অবস্থান থেকে স্থানান্তর হতে পারে। কিন্তু প্রতিবেশী বদলাতে পারে না। আমরা আমাদের প্রতিবেশীকে (ভারত) সম্মান করতে চাই। একইভাবে প্রতিবেশীর কাছে থেকেও যথাযথ সম্মান চাই।’