রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক : রেকর্ড গড়া তো লিওনেল মেসির কাছে নতুন কিছু নয়। আন্তর্জাতিক ফুটবল, প্রতিযোগিতামূলক ফুটবলে একের পর এক গোল করে রেকর্ডের বন্যা বইয়ে দেন। আর্জেন্টাইন তারকা ফরোয়ার্ডের রেকর্ডটা এবার অন্যরকম।
মেসির বার্সেলোনায় খেলার সময় একটি রুকি কার্ড ১৫ লাখ ডলারে বিক্রি হয়েছে বলে ইএসপিএনের গত রাতের এক প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে।বাংলাদেশি মুদ্রায় সেটা ১৮ কোটি ২৬ লাখ টাকা। ফ্যানাটিকস কালেক্টের ব্যক্তিগত লেনদেন নেটওয়ার্কের মাধ্যমে দামি এই কার্ডটি বিক্রি হয়েছে।একজন খেলোয়াড়ের প্রথম অফিশিয়াল ট্রেডিং কার্ডই মূলত রুকি কার্ড নামে পরিচিত। এখন এটি ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে দামি কার্ড হয়ে গেছে।
মেসির আগে ফুটবল কার্ডের ক্ষেত্রে রেকর্ডটি ছিল পেলের। ২০২২ সালে ব্রাজিলের বিশ্বকাপজয়ী কিংবদন্তির আলিফাবোলাগেট নামে কার্ড বিক্রি হয়েছিল ১৩ লাখ ৩০ হাজার ডলারে। বাংলাদেশি মুদ্রায় ১৬ কোটি ১৯ লাখ টাকা। আলিফাবোলাগেট কার্ডটি ছিল ১৯৫৮ সালের। এটি মূলত ১৯৫০-৬০-এর দশকে সুইডেনে প্রকাশিত স্টিকারের মতো ট্রেডিং কার্ড সিরিজ।
২০০৪-০৫ প্যানিনি মেগা ক্র্যাকস পিএসএ ১০ হচ্ছে বার্সেলোনায় মেসির অভিষেক মৌসুমের অফিশিয়াল কার্ড। অত্যন্ত দুর্লভ প্রকৃতির এই কার্ড। এর আগে গোল্ডিন অকশন নামে আরেক প্রতিষ্ঠান অন্য আরেকটি কার্ড ১১ লাখ ডলারে বিক্রি করেছিল (বাংলাদেশি ১৩ কোটি ৩৯ লাখ টাকা)। ফ্যানাটিকসের সহসভাপতি কেভিন লেনান বলেছেন, ‘আমাদের কাছে এমন ধরনের অনেক কার্ড রয়েছে। ক্রেতাও আছেন অনেক। তাঁদের সঙ্গে কাজ করতে পারি। প্রথম মাসেই ৮০ লাখ ডলারের (৯৭ কোটি ৩৫ লাখ টাকা) কার্ড বিক্রি করতে পেরেছি আমরা।
বার্সেলোনায় দুই দশক খেলার পর ২০২১ সালে প্যারিস সেইন্ট জার্মেইয়ে (পিএসজি) পাড়ি জমান মেসি। কিন্তু ২ বছর থাকার পর আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ডের কাছে পিএসজির পরিবেশ বিষাক্ত হয়ে ওঠে। ২০২৩ সাল থেকে মেসি খেলছেন ইন্টার মায়ামিতে। যুক্তরাষ্ট্রের ক্লাবটির হয়ে আড়াই বছরে ৭৪ ম্যাচে করেছেন ৬১ গোল। অ্যাসিস্ট করেছেন ২৯ গোলে। মায়ামির জার্সিতে এখন পর্যন্ত দুটি শিরোপা জিতেছেন তিনি।
রিপোর্টার্স২৪/ঝুম